কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব রোধে পরিচ্ছন্নতা ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করেছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল। এ সময় একাডেমিক ভবন, মুক্তমঞ্চ ও প্রশাসনিক ভবনের আশপাশে মশকনিধন স্প্রে করা হয়। পাশাপাশি ডেঙ্গু প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কাছে স্মারকলিপি দেন সংগঠনটির নেতাকর্মীরা।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টায় এ কর্মসূচি পালন করা হয়। কর্মসূচি শেষে শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান শুভ ও সদস্য সচিব আবুল বাশার স্বাক্ষরিত ডেঙ্গু প্রতিরোধে ১০ দফা দাবি সংবলিত স্মারকলিপি উপাচার্যের কাছে দেওয়া হয়।
স্মারকলিপিতে ক্যাম্পাসে জরুরি ভিত্তিতে পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা, ক্যাম্পাস ও আবাসিক হলের আশপাশে জমে থাকা পানি অপসারণ এবং ড্রেন, নালা ও পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা নিয়মিত পরিষ্কারের দাবি জানানো হয়। পাশাপাশি মশার সম্ভাব্য প্রজননস্থল চিহ্নিত করে মশকনিধন কার্যক্রম এবং নিয়মিত স্প্রে ও ফগিং পরিচালনার দাবি জানানো হয়।
এ ছাড়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক প্রচারণা ও লিফলেট বিতরণ, আবাসিক হলগুলোতে বিশেষ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও মশকনিধন অভিযান পরিচালনা এবং ক্যাম্পাসের ঝোপঝাড়, আবর্জনা ও পরিত্যক্ত স্থান নিয়মিত পরিষ্কারের দাবি জানানো হয়।

স্মারকলিপিতে ডেঙ্গু আক্রান্ত শিক্ষার্থীদের দ্রুত চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করতে বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসাকেন্দ্রের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং ডেঙ্গু প্রতিরোধে নিয়মিত পর্যবেক্ষণ ও সমন্বয়ের মাধ্যমে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম অব্যাহত রাখার দাবিও জানানো হয়।
কুবি শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান শুভ বলেন, সারাদেশে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব কমিয়ে আনা এবং ডেঙ্গু প্রতিরোধে কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে সচেতনতামূলক ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করছি। মূলত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে ডেঙ্গুর ঝুঁকি থেকে মুক্ত রাখতেই আমাদের এ উদ্যোগ। সারাদেশে দ্রুত ডেঙ্গু ছড়িয়ে পড়ছে এবং এর কারণে শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষ আক্রান্ত হচ্ছেন। তাই শিক্ষার্থীদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানাতে আমরা উপাচার্যের কাছে স্মারকলিপি জমা দিয়েছি।
তিনি আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন একাডেমিক ও প্রশাসনিক ভবন, মুক্তমঞ্চ এবং যেখানে পানি জমে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে, সেসব স্থানে মশকনিধন স্প্রে করেছি। ডেঙ্গুর প্রজননস্থল ধ্বংস ও মশার বিস্তার রোধ করাই এ কার্যক্রমের উদ্দেশ্য।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









