ইসলামী বিভাগের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এমতাজ হোসেন বলেছেন, ‘‘বিভাগের অভ্যন্তরীণ সমস্যায় শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবন ক্ষতিগ্রস্ত হতে দেওয়া যাবে না। কোনো বিভাগের জটিলতার কারণে শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবন ও ভবিষ্যৎ কর্মজীবন ক্ষতিগ্রস্ত হোক—বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তা চায় না।’’
রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের ’ল অ্যান্ড ল্যান্ড অ্যাডমিনিস্ট্রেশন বিভাগের নবনিযুক্ত সভাপতির দায়িত্বগ্রহণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
উপ-উপাচার্য বলেন, ‘‘আমাদেরকে লক্ষ্য রাখতে হবে যেন কোনো ঘটনা বিভাগের কার্যক্রমে জটিলতা তৈরি না করে। এমন হলে শিক্ষার্থীরা ক্ষতিগ্রস্ত হবে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন চায় না যে শিক্ষার্থীরা ক্ষতিগ্রস্ত হোক। আমাদের শিক্ষার্থীরা শিক্ষা গ্রহণ করে কর্মজীবনে ভালো করবে—সেটাই আমাদের প্রত্যাশা।’’
তিনি বলেন, ‘‘বিজেএসসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সাফল্য বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম সারা দেশে উজ্জ্বল করছে।’’ শিক্ষার্থীদের এই অর্জন ধরে রাখতে তাদের স্বার্থ রক্ষা এবং শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
অধ্যাপক ড. এমতাজ হোসেন বলেন, ‘‘আইন অনুষদসহ বিভিন্ন বিভাগের কৃতি শিক্ষার্থীরা সারা বাংলাদেশে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করছে, যা পুরো বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের জন্য অত্যন্ত গর্বের বিষয়। শিক্ষার্থীদের অর্জনের এই ধারা অব্যাহত রাখতে যেকোনো পরিস্থিতিতে বিভাগের সার্বিক উন্নয়ন এবং শিক্ষার্থীদের মঙ্গলকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দিতে হবে।’’
এ সময় তিনি বিভাগের অভ্যন্তরীণ যেকোনো জটিলতা শিক্ষার্থীদের ওপর যাতে নেতিবাচক প্রভাব না ফেলে, সে বিষয়ে শিক্ষকদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনে আহ্বান করেন।
এদিন বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদের অন্তর্ভুক্ত ’ল অ্যান্ড ল্যান্ড অ্যাডমিনিস্ট্রেশন বিভাগের সভাপতি হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব নেন আল ফিকহ অ্যান্ড ল বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. আনোয়ারুল ওহাব শাহীন।
এসময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. ইদ্রিস আলী, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. আতিকুর রহমান, আইন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ নাজিমুদ্দিন, লোকপ্রশাসন বিভাগের সভাপতি ড. মুন্সি মুর্তজা আলী, আল ফিকহ বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. আলতাফ হোসেন, জার্নালিজম বিভাগের সভাপতি সহকারী অধ্যাপক তন্ময় সাহা জয়।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









