হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ক্যানোপি-০২ এলাকায় নিরাপত্তা রক্ষায় নিয়োজিত আনসার সদস্যদের বিরুদ্ধে গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত একটি ভিডিও নিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে। এ বিষয়ে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর পক্ষ থেকে প্রকৃত ঘটনা তুলে ধরে গণমাধ্যমে বিজ্ঞপ্তি পাঠানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে বিমানবন্দরের ক্যানোপি-০২ এলাকায় এক যাত্রীর স্বজন নিরাপত্তা নির্দেশনা অমান্য করে নিষিদ্ধ স্থানে অবস্থান করেন এবং আগমনী গেটের ভেতরে বারবার উঁকিঝুঁকি দিতে থাকেন। বিমানবন্দরের শৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থে কর্তব্যরত আনসার সদস্যরা তাকে সরে যাওয়ার অনুরোধ করলে তিনি আনসার সদস্যদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ, গালাগালি ও ঠাট্টা-বিদ্রুপ করেন।
পরবর্তীতে বিষয়টি এভিয়েশন সিকিউরিটি (অ্যাভসেক)-এর এক কর্পোরালের নজরে এলে তিনি ঘটনাস্থলে এসে ওই ব্যক্তিকে নিষিদ্ধ এলাকা থেকে সরে যাওয়ার নির্দেশ দেন। এ সময় উভয়পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হলে অ্যাভসেকের ওই কর্পোরাল কর্তব্যরত আনসার সদস্যদের নির্দেশ দেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে আগমনী গেটের অভ্যন্তরে নির্ধারিত স্থানে নিয়ে যাওয়ার জন্য। মূলত অ্যাভসেক কর্মকর্তার নির্দেশেই আনসার সদস্যরা তাকে ভেতরে নিয়ে যান এবং পরবর্তীতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, বিমানবন্দরের মতো সংবেদনশীল স্থানে নিরাপত্তা বিধি বজায় রাখা নিরাপত্তাকর্মীদের দায়িত্বের অংশ। আনসার সদস্যরা নিজ উদ্যোগে কোনো ব্যবস্থা নেননি, বরং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা পালন করেছেন। কিন্তু একটি সংক্ষিপ্ত ও একপাক্ষিক ভিডিও বা ক্যাপশনের ভিত্তিতে ঘটনাটিকে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করায় জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হচ্ছে।
সম্পূর্ণ তথ্যের পরিবর্তে বিচ্ছিন্ন ও অসম্পূর্ণ ভিডিওর ভিত্তিতে নিরাপত্তা কর্মীদের কার্যক্রমকে মূল্যায়ন না করে ঘটনার পূর্ণাঙ্গ প্রেক্ষাপট বিবেচনা করার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









