রংপুর জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি ও তার পরিবারের চার সদস্য হত্যার ঘটনায় দ্রুত তদন্ত শেষ করে জড়িতদের আইনের আওতায় আনার আশ্বাস দিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবীব দুলু।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ আশ্বাস দেন।
ত্রাণমন্ত্রী বলেন, এটি অত্যন্ত মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক হত্যাকাণ্ড। এমন ঘটনা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন নিয়ে নানা আলোচনা ও বিভিন্ন ধরনের বিষয় সামনে আসছে। এসব কারণে তদন্তে কিছুটা সময় লাগছে।
তিনি বলেন, সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধী এবং হত্যাকাণ্ডের পেছনে যারা দায়ী, তাদের শনাক্ত করা জরুরি। একই সঙ্গে হত্যাকাণ্ডে জড়িত সবাইকে আইনের আওতায় এনে বিচারের মুখোমুখি করাই সরকারের লক্ষ্য।
আসাদুল হাবীব দুলু আরও বলেন, এর আগে তিনি হত্যাকাণ্ডের ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। রংপুর শহরে এর আগে এত বড় হত্যাকাণ্ড ঘটেছে কিনা, তা তার জানা নেই। এ কারণে প্রশাসন বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে এবং সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে কিছুটা সময় নেওয়া হচ্ছে।
তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, অল্প সময়ের মধ্যেই সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন এবং বিচারকাজ এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে।
এর আগে শনিবার সকাল ১০টায় বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন সচিবালয়ের আঞ্চলিক কার্যালয়ের উদ্বোধন করেন ত্রাণমন্ত্রী। পরে বেলা ১১টায় রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন তিনি।
এ সময় রংপুর বিভাগীয় কমিশনার শহিদুল ইসলাম, রংপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান সামসুজ্জামান সামু, রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আশিকুর রহমানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









