রাজধানীর মিরপুরে স্থানীয় সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজদের প্রতিবাদ করায় জুলাই যোদ্ধা আমিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে একটি চক্র। অবিলম্বে এসব সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন তিনি।
সোমবার (১৮ মে) বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স এসোসিয়েশন (ক্র্যাব) মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানানো হয়। এসময় মিরপুর চটবাড়ির বিএনপি নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
লিখিত বক্তব্যে আমিরুল জানান, তিনি বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। এই দুর্বলতা কাজে লাগিয়ে ২০২১ সালের ৪ মার্চ আওয়ামী লীগের থানা কমিটির নেতা সুমন তার বাড়ি দখল করে। ওই সময়ে জালাল ও মনোয়ার নামে দুই ব্যক্তি সুমনের দখলকৃত বাড়ি পাহারা দেয় যাতে তিনি পাল্টা ব্যবস্থা নিতে না পারেন। এ বিষয়ে তৎকালীন নেতা ও রাজনৈতিক সহকর্মীরা রাজনৈতিক কারণে তাকে সহযোগিতা করতে পারেননি। তবে এ বিষয়ে থানায় জিডি করেছিলেন।
আমিরুল বলেন, ‘‘১৯৯১ সালের নির্বাচনে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নির্বাচনীয় আসন ঢাকা-৯ এর নির্বচনি প্রচারের মাধ্যমে বিএনপি রাজনীতির সঙ্গে জড়িত হন। ২০১৮ সালের নির্বাচনের পরে স্থানীয় কিছু আওয়ামী লীগ নেতা বিচারের নামে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করে। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে পুলিশ দিয়ে হয়রানি শুরু করে। এরপর থেকেই তার পলাতক জীবন শুরু হয়। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট এর আগে তার বাড়িতে বসবাস করতে পারেননি।’’
তিনি জানান, জুলাই আন্দোলনের পুরোটা সময় তিনি সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই ধউর বেড়িবাঁধে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাথে অবস্থান কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন। ১৮, ১৯ ও ২০ জুলাই উত্তরা পূর্ব থানার সামনে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে অংশগ্রহণ করলে সেখানে পুলিশের গুলিতে আহত হন। এখনো তার শরীরে স্পিন্টার রয়েছে।
তিনি আরও জানান, স্থানীয় একটি চক্র তার জুলাই আন্দোলন নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। গত ৫ মে স্থানীয় সন্ত্রাসীরা তাকে মুঠোফোনে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। এ বিষয়ে শাহআলী থানায় অভিযোগ করা হয়েছে। স্থানীয় এসব চাঁদাবাজদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার জন্য সংশ্লিষ্ট আইন প্রযোগকারি সংস্থার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন জুলাই যোদ্ধা আমিরুল ইসলাম।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









