আসন্ন ঈদুল আযহাকে কেন্দ্র করে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে নারায়ণগঞ্জের সাইবোর্ড এবং কাঁচপুর এলাকায় দুটি বড় পশুর হাটের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তবে, এই হাট দুটি ঈদের আগে মহাসড়কে যানজট ও বিশৃঙ্খলার কারণ হয়ে উঠবে বলে মনে করছেন অনেকে।
জানা গেছে, এ বছর নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা থেকে মোট ১৩ টি পশুর হাটের ইজারা দেওয়া হয়। এরমধ্যে ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কের কাছাকাছি সাইনবোর্ড সংলগ্ন কুতুবপুর ইউনিয়নের শান্তিধারা এলাকায় একটি পশুর হাট ইজারা দিয়েছে সদর উপজেলা। ১৬ লাখ ৭৫ হাজার টাকায় এই হাটের ইজারা পেয়েছেন বিএনপি নেতা শহিদুল ইসলাম টিটু।
কুতুবপুর ইউনিয়নের শান্তিধারা এলাকার বাসিন্দা মঈনউদ্দিন মিয়া বলেন, এখানে একদিকে ঢাকা নারায়ণগঞ্জ লিংক রোড, আরেক দিকে একটু সামনে গেলেই ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক। কিন্তু এমন একটা জায়গাতেই হাট বসায় দিসে। হাটে হাজার হাজার মানুষ আসবে, ট্রাক বোঝাই গরু আসবে। তখন তো রাস্তায় জ্যাম লাগবেই। আর এখানে জ্যাম লাগলে ঢাকা নারায়ণগঞ্জ, ঢাকা সিলেটসহ ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কেও সমস্যা তৈরি হবে।
এদিকে, ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে কাঁচপুর এলাকায় কাঁচপুর সেতুর পূর্বপাশের ঢালে আরো একটি পশুর হাটের ইজারা দিয়েছে সোনারগাঁ উপজেলা প্রশাসন। হাটটি কাঁচপুর হাইওয়ে থানার ঠিক সামনে।
এই হাটে গরু উঠানো এবং বেচাকেনা শুরু হলে ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কে যানজট ও ভোগান্তি বৃদ্ধি পাবে। কাঁচপুর এলাকার এক ব্যবসায়ী জানান, যেসব হাট নদীর পাশে অবস্থিত সেখানে নদী থেকেই গরু নামানো হয়। কিন্তু এই হাটে যখন গরু আসবে তখন এই মহাসড়কে কিন্তু যানজট অবশ্যই হবে। ঈদের তো এমনিতেই মহাসড়কে গাড়ি বেশি হয়। ফলে এখানে যানজট তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।
জানা গেছে, মহাসড়কের পাশে পশুর হাট বসানোর ব্যাপারে প্রতি বছর সকারের কঠোর নির্দেশনা থাকে। তবে এরপরও মহাসড়কের পাশেই কেন হাট দেওয়া হলো জানতে চাইলে জেলা প্রশাসক রায়হান কবির বলেন, “আমরা মহাসড়কের পাশে হাট বসানোর ব্যাপারে অনাগ্রহী ছিলাম। কিন্তু এই দুটি জায়গায় অনেক বছর ধরে হাট বসছে। ঐতিহ্যবাহী এই হাট দুটির বিষয়ে এলাকাবাসীরও অনুরোধ ছিল। তাই হাট দুটোর ইজারা দিতে হয়েছে। কিন্তু হাটের কারণে যাতে মহাসড়কে বিশৃঙ্খলা না হয় সেটার জন্যও ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।”


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









