নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার বক্তাবলীতে ছয় বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন জেলা প্রশাসক রায়হান কবির ও জেলা পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান মুন্সী।
শনিবার (২৩ মে) ফতুল্লা মডেল থানায় ভুক্তভোগী পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন তারা।
এ সময় তারা অভিযুক্তদের দ্রুত সর্বোচ্চ শাস্তির ব্যবস্থা করবেন বলে আশ্বাস দেন। একইসঙ্গে এ ঘটনায় অপর অভিযুক্ত সোহেলকে গ্রেপ্তারের কথাও জানিয়েছে পুলিশ।
এরআগে, অভিযুক্ত হিরুকে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে স্থানীয় লোকজন। হিরু ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে মুমূর্ষু অবস্থায় চিকিৎসাধীন বলে জানিয়েছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তারেক আল মেহেদী।
এদিকে সকালে থানায় ভুক্তভোগী পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাতের পর নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির বলেন, “এটি একটি ন্যাক্কারজনক ও লোমহর্ষক ঘটনা। শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রশাসন জিরো টলারেন্স নীতিতে কাজ করছে সরকার। এই মামলায় সর্বোচ্চ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে তদন্ত কাজ দ্রুত শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ভুক্তভোগী পরিবারকে সার্বিক সহযোগিতা দেবে জেলা প্রশাসন।”
তিনি আরও বলেন, “এ ধরনের পৈশাচিক অপরাধ সমাজে কোনোভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। শিশুটির চিকিৎসা ও পুনর্বাসনে আমরা পাশে আছি। এ ধরনের অপরাধ রোধে আমাদেরকে সবার সচেতন হতে হবে। ভবিষ্যতে যাতে এই ধরনের নেককার জনক ঘটনা না ঘটে সেজন্য সকলকে ঐক্যবদ্ধ ভাবে কাজ করতে হবে।”
নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান মুন্সী বলেন, “ঘটনার সঙ্গে জড়িত কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। ইতিমধ্যে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, অপর আসামি হাসপাতালে পুলিশি পাহারায় চিকিৎসাধীন। মামলাটি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। খুব দ্রুত চার্জশিট দেওয়ার লক্ষ্যে আমরা কাজ করছি। এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে অতিরিক্ত ফোর্স মোতায়েন করা হয়েছে।”
ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহবুব আলম বলেন, “অভিযুক্ত হিরুকে গুরুতর আহত অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। অপর অভিযুক্ত সোহেলকে আমরা আটক করেছি। মামলাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে।”


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









