সাতক্ষীরা জেলা জজ আদালতের সাবেক পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) ও সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি অ্যাডভোকেট আব্দুল লতিফ কারাবন্দী অবস্থায় অসুস্থ হয়ে মারা গেছেন। গতকাল রবিবার দিনগত রাত ৪টা ১০ মিনিটে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। মৃত আব্দুল লতিফ সাতক্ষীরা সদর উপজেলার কামারবায়শা গ্রামের মুনসুর আলীর ছেলে।
সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ আব্দুর রহমান জানান, রবিবার দিনগত রাত ৩টার দিকে আব্দুল লতিফকে বুকে ব্যথা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে রাত ৪টা ১০ মিনিটে হাসপাতালের চিকিৎসক ত্রিদিব দেবনাথ তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। সাতক্ষীরা জেলা কারাগারের জেলার মনির হোসেন সাবেক এই পিপি ও আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
দলীয় ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে আব্দুল লতিফ জেলা জজ আদালতের পিপি নিযুক্ত হন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর তাঁর বিরুদ্ধে আটটি হত্যা ও নাশকতা মামলা এবং তাঁর ছেলে রাসেলের বিরুদ্ধে তিনটি মামলা দায়ের করা হয়। মামলার পর থেকেই তাঁরা গ্রেপ্তার এড়াতে খুলনায় আত্মগোপনে ছিলেন।
পরবর্তীতে ২০২৫ সালের ১২ ডিসেম্বর খুলনার বয়রা এলাকায় উকিল কমিশনের মাধ্যমে শহরের রসুলপুর এলাকার নিজস্ব ভবনের ফ্ল্যাট রেজিস্ট্রি করার সময় সাতক্ষীরা জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) বিশেষ অভিযান চালিয়ে আব্দুল লতিফ ও তাঁর ছেলে রাসেলকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারের পর থেকেই তিনি কারাগারে অন্তরীণ ছিলেন।
কারাগারে লতিফের মৃত্যুর বিষয়ে কারা কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকদের পক্ষ থেকে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









