সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে পটুয়াখালীর ৩৫টি গ্রামের প্রায় ২৫ হাজার মানুষ আজ পবিত্র ঈদুল আজহা উদ্যাপন করছেন। প্রায় এক শতাব্দী ধরে চলে আসা ধর্মীয় রীতি ও ঐতিহ্য অনুসরণ করে প্রতি বছরই এসব গ্রামের মানুষ একদিন আগেই কোরবানির ঈদ পালন করে আসছেন।
বুধবার (২৭ মে) সকাল ৮টায় সদর উপজেলার বদরপুর দরবার শরিফে ঈদুল আজহার প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে সহস্রাধিক মুসল্লি অংশ নেন। জামাতে ইমামতি করেন বদরপুর দরবার শরিফ জামে মসজিদের খতিব মাওলানা শফিকুল ইসলাম আব্দুল গনি।
জানা গেছে, পটুয়াখালী সদর, গলাচিপা, বাউফল ও কলাপাড়া উপজেলার ৩৫টি গ্রামের সহস্রাধিক পরিবার সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে রোজা, ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা উদযাপন করে থাকে। এসব গ্রামের মানুষ হানাফি মাজহাব ও কাদেরিয়া তরিকার অনুসারী।
স্থানীয়রা জানান, ১৯২৮ সালে এক পীরের উদ্যোগে এ অঞ্চলে সৌদি আরবের চাঁদের সঙ্গে মিল রেখে ঈদ উদযাপনের প্রথা চালু হয়। সেই থেকে প্রতিবছর তারা একই নিয়ম অনুসরণ করে আসছেন।
বদরপুর দরবার শরিফ জামে মসজিদের খতিব মাওলানা শফিকুল ইসলাম আব্দুল গনি বলেন, ইসলামী শরিয়তের আলোকে বিশ্বের যেকোনো স্থানে জিলহজ মাসের চাঁদ দেখার নির্ভরযোগ্য সংবাদ পাওয়া গেলে সে অনুযায়ী ঈদ উদযাপন করা যায়। সেই বিশ্বাস থেকেই তারা আগাম ঈদ উদযাপন করছেন।
এদিকে আগাম ঈদ উদযাপনকে কেন্দ্র করে সংশ্লিষ্ট এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে পুলিশ প্রশাসন।
পটুয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মোহাম্মদ সাজেদুল ইসলাম সজল জানান, শান্তিপূর্ণভাবে ঈদ উদযাপন নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









