ডেঙ্গু প্রতিরোধে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ব্যাপক পরিসরে মশক নিধন, লার্ভা ধ্বংস ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করেছে জেলা প্রশাসন ও পৌর প্রশাসন।
শনিবার (৬ জুন) সকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর শহরে পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন অভিযানের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক মো. আবু সাঈদ।
সার্বিক কর্মসূচি বাস্তবায়নে নেতৃত্ব দেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার প্রশাসক (উপসচিব) শরিফুল ইসলাম।
জানা যায়, ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব থেকে জনজীবন সুরক্ষিত রাখতে পৌরসভার প্রতিটি ওয়ার্ড এবং জেলার ইউনিয়ন পর্যায়ে ফগার মেশিনের মাধ্যমে ওষুধ ছিটানো ও মশার লার্ভা ধ্বংসে প্রতি শনিবার বিশেষ কর্মসূচি পরিচালনা করা হবে। অভিযানের অংশ হিসেবে বিভিন্ন এলাকায় জমে থাকা পানি অপসারণ, আবর্জনা পরিষ্কার এবং মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করা হয়।
অভিযান চলাকালে জেলা প্রশাসক ঐতিহ্যবাহী টাউনখাল এবং ছয়বাড়িয়া আমিনপুর এলাকার ময়লা ডাম্পিং স্টেশন পরিদর্শন করে দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন জেলা প্রশাসক।।
স্থানীয় বাসিন্দা, সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের দীর্ঘদিনের দাবির পাশাপাশি বৈশাখী টেলিভিশনসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে ডাম্পিং স্টেশনের কারণে পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকি নিয়ে ধারাবাহিক প্রতিবেদন প্রচারের পর বিষয়টি নতুন করে গুরুত্ব পায়।
পরিদর্শন শেষে জেলা প্রশাসক মো. আবু সাঈদ বলেন, ‘‘ছয়বাড়িয়া-আমিনপুর এলাকায় ডাম্পিং স্টেশনের নির্ধারিত স্থানে সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করা হবে। পাশাপাশি বর্তমান ডাম্পিং স্টেশন অন্যত্র স্থানান্তরের বিষয়ে সরকারের কাছে প্রস্তাবনা পাঠানো হবে।’’
এ সময় প্রশাসকের পক্ষ থেকে নাগরিকদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়, বসতবাড়ির আঙিনা, ছাদ ও আশপাশ নিয়মিত পরিষ্কার রাখতে হবে। ফুলের টব, পরিত্যক্ত টায়ার, ডাবের খোসা, এসি বা ফ্রিজের নিচে তিন দিনের বেশি পানি জমতে দেওয়া যাবে না। ডেঙ্গু প্রতিরোধে দিনে ও রাতে মশারি ব্যবহারের ওপরও গুরুত্বারোপ করা হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(সার্বিক) রঞ্জন চন্দ্র দে, পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. এরশাদ মিয়া, প্রধান প্রকৌশলী কাউছার আহমেদ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া টেলিভিলন জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের সভাপতি আল আমীন শাহীন, সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান লিমন, প্রশাসনের কর্মকর্তা কর্মচারী, গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









