গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে নিখোঁজের দুইদিন পর পুকুর থেকে মিন্টু চন্দ্র দাস (৪২) নামে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (১৯ জুন) সন্ধ্যায় উপজেলার কামারদহ ইউনিয়নের লালবাগ এলাকায় খাস পুকুরে ভাসমান অবস্থায় মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত মিন্টু চন্দ্র দাস ওই এলাকার স্বর্গীয় নিশিকান্তের ছেলে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবার (১৭ জুন) রাত ১০টার দিকে মিন্টু বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হয়। পরে অনেক খোঁজাখুজি করেও তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। নিখোঁজের দুইদিন পর আজ (শুক্রবার) সন্ধ্যায় খাস পুকুরে মরদেহ ভাসতে দেখে থানায় খবর দেয় স্থানীয়রা। খবর পেয়ে পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
নিহতের ছোট ভাই গৌতম কুমার বলেন, প্রথমে লোকমুখে পুকুরে মরদেহ ভাসার কথা জানতে পেরে আমি বুঝতে পেরেছিলাম সেটা আমার বড় ভাইয়ের লাশ হতে পারে। সে একজন মৃগী রোগী ছিলেন।
নিহতের পরিবারের ধারণা নিখোঁজ হওয়ার ওই রাতে প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিয়ে বাহিরে গিয়ে হয়ত অসাবধানতা বশত পানিতে পড়ে গিয়ে আর উঠতে পারেনি।
স্থানীয়রা জানান, মিন্টু দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত ছিলেন এবং মাঝেমধ্যে বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়ে যেতেন।
এ ঘটনায় রাতেই অভিযান চালিয়ে সন্দেহভাজন হিসেবে স্থানীয় চার মাদকসেবীকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে পুলিশ। তারা নিহত মিন্টুর ঘনিষ্ঠ সহযোগী ছিলেন বলে জানা গেছে।
থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) স্বপন কুমার সরকার জানান, মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে এবং ময়নাতদন্তের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মাদ মোজাম্মেল হক জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। মৃত্যুর সঠিক কারণ তদন্ত রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পর জানা যাবে।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









