খাগড়াছড়ির রামগড় ও দীঘিনালায় পৃথক গোলাগুলিতে ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের (ইউপিডিএফ) প্রসীত গ্রুপের দুই সদস্য নিহত হয়েছেন। নিহত দুইজনের একজন নিরাপত্তাবাহিনী ও আরেকজন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির গুলিতে নিহত হয়েছেন বলে দাবি ইউপিডিএফের।
আজ বুধবার (২৪ জুন) সকালে এ ঘটনা ঘটে।
রামগড় উপজেলার প্রেমতলা এলাকায় সেনাবাহিনির সঙ্গে ইউপিডিএফের গোলাগুলি হয়। এতে ইউপিডিএফ সদস্য ববিন ত্রিপুরা (৩২) নিহত হন। সে রামগড় উপজেলার মাজারা টিলা গ্রামের বাসিন্দা। ঘটনাস্থল থেকে একটি একে-৪৭ রাইফেল উদ্ধার করা হয়েছে।
রামগড় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাজির আলম জানান, এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া চলমান। অপর দিকে, দুপুরে দীঘিনালা উপজেলার বাবুছড়ার মুড়োপাড়া এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের গুলিতে সুজন চাকমা (৪৮) নামের এক ইউপিডিএফ সদস্য নিহত হয়েছেন।
দীঘিনালা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইকবাল বাহার জানান, জানতে পারছি সুজন চাকমা মুরোপাড়ায় একটি দোকানে বসে ছিল। এ সময় পাঁচজন মুখোশধারী কিছু লোক মোটরসাইকেলে এসে গুলি করে চলে যায়। লাশের শরীরে তিনটি গুলি লেগেছে।
ইউপিডিএফ এর মুখপাত্র অংগ্য মারমা এক সংবাদ সম্মেলনে, এ ঘটনার নিন্দা জানিয়েছেন। সংগঠনের মুখপাত্র অংগ্য মারমার সই করা এ বিজ্ঞপ্তিতে দাবি করা হয়, জেএসএসের অস্ত্রধারী কয়েকজন তাঁদের কর্মীদের ওপর অতর্কিত হামলা করেছে।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









