দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলার ৩ নং গোলাপগঞ্জ ইউনিয়নের ছোট মহেশপুর গ্রামের আলোচিত সানজিদা হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন করেছে নবাবগঞ্জ থানা পুলিশ। ঘটনার ৫ মাস ২০ দিন পর তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় মামলার এক আসামিকে শনাক্ত করে রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। পরে তার দেখানো মতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি ধারালো বটি উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ১৩ জানুয়ারি ২০২৬ গভীর রাতে দুর্বৃত্তরা ছোট মহেশপুর গ্রামের মো. ওয়াহিদুল হকের বসতবাড়িতে প্রবেশ করে ঘুমন্ত অবস্থায় তার মেয়ে সানজিদার ওপর ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা চালায়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নিহতের পরিবার নবাবগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে।
মামলাটি তদন্তের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় বিরামপুর উপজেলার ক্যাটরা গ্রামের হবিবর রহমানের ছেলে গোলাম মোর্শেদ (২৫)-কে শনাক্ত করেন। তবে এরই মধ্যে নওগাঁ জেলার ধামইরহাট থানার একটি হত্যা মামলায় তিনি গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে ছিলেন। পরে আদালতের অনুমতি নিয়ে নবাবগঞ্জ থানা পুলিশ তাকে একদিনের রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করে।
নবাবগঞ্জ থানার সাব-ইন্সপেক্টর (এসআই) ডেভিড হিমাদ্রী বর্মা জানান, রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে গোলাম মোর্শেদ স্বেচ্ছায় সানজিদা হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মামলার বাদী মো. ওয়াহিদুল হকের বসতবাড়ির রান্নাঘর থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি ধারালো বটি উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, মামলার তদন্ত কার্যক্রম এখনও চলমান রয়েছে। এ ঘটনায় অন্য কোনো ব্যক্তি জড়িত থাকলে তাদেরও আইনের আওতায় আনার জন্য প্রয়োজনীয় তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









