সিলেটের হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের দানবাক্সের টাকা দ্বিতীয়বারের মতো প্রকাশ্যে গণনা শুরু হয়েছে। শনিবার (১১ জুলাই) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে মাজার প্রাঙ্গণে টাকা গণনা শুরু হয়েছে। প্রায় ৭০০ বছরের ইতিহাসে দ্বিতীয়বারের মতো প্রকাশ্যে চলছে টাকা গণনা।
গণনায় অংশ নিয়েছেন শাহজালাল দরগাহ মাদরাসার অন্তত ২৫-৩০ জন শিক্ষার্থীরা।
এর আগে গত ২২ জুন সিলেটের সাবেক জেলা প্রশাসক সারওয়ার আলমের নেতেৃত্বে প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে মাজারের দানের টাকা গণনা করা হয়। সে সময় সংগৃহীত ১৭ লাখ ৬৫ হাজার ৫৪৯ টাকা দরগাহের ব্যাংক একাউন্টে জমা রাখা হয়।
গণনা কার্যক্রম শুরু করতে সকালে মাজারে আসেন মাজারের আর্থিক ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য ও সিলেট উন্নয়ন সংস্থার চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, একই কমিটির সদস্য ও জেলা পরিষদ প্রশাসক আবুল কাহের চৌধুরী শামীম, ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক পিংকি সাহা ও সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. আব্দুল কুদ্দুছসহ মাজার সংশ্লিষ্টরা। পরে তারা মাজারের ঐতিহাসিক দানের তিনটি ডেগ সিলগালা অবস্থা থেকে খোলেন। এরপর শুরু হয়েছে গননা।
উল্লেখ্য, গত ২৮ জুন সিলেটের সাবেক জেলা প্রশাসক সারওয়ার আলম নতুন চারটি দানবাক্স স্থাপন এবং পুরনো তিনটি ডেগ সিলগালা করেন। এরপর ২২ জুন প্রথম দফায় ৪ দিনে সংগৃহীত ১৭ লাখ ৬৫ হাজার ৫৪৯ টাকা গণনা করে দরগাহ মাজারের ব্যাংকের অ্যাকাউন্টে জমা রাখা হয়।
এরপর গত ২৬ জুন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের উদ্যোগে ১১ সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়। কমিটিকে এক মাসের মধ্যে মাজারের আর্থিক ব্যবস্থাপনার জন্য আধুনিক ও কার্যকর কাঠামোর সুপারিশ তৈরির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের নেতৃত্বে গঠিত ওই কমিটির অপর সদস্যরা হলেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের প্রশাসক রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার মশিউর রহমান, জেলা পরিষদের প্রশাসক আবুল কাহের শামীম, সিলেটের ডিআইজি, মহানগর পুলিশ কমিশনার, মাজারের মতোয়াল্লি পরিবারের দুই সদস্য, মাজার মাদ্রাসা ও মসজিদের দুই প্রতিনিধি। এই কমিটির সচিবের দায়িত্ব পালন করছেন জেলা প্রশাসক।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









