সুনামগঞ্জ এর তাহিরপুর উপজেলার যাদুকাটা, রক্তি ও পাটলাই নদীতে বিআইডব্লিউটি'র অতিরিক্ত টোল আদায়ের অভিযোগে মানববন্ধন করেছে নৌ মালিক সমিতি ও ভুক্তভোগী শ্রমিকগণ।
বুধবার (১৫ জুলাই) দুপুরে যাদুকাটা নদীর পাড় পাঠানপাড়া খেয়াঘাট এলাকায় ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধনটি পালন করা নৌ মালিক সমিতি ও ভুক্তভোগী শ্রমিকগণ।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, যেখানে বিআইডব্লিউটি'র প্রতি সেফটি ৫০ পয়সা সরকার নির্ধারিত টোল আদায়ের কথা সেখানে তাহিরপুর উপজেলার যাদুকাটা নদীর বালিজুরী ইউনিয়নের ফাজিলপুর এলাকায় উত্তর শ্রীপুর ইউনিয়নের পাঠলাই নদীর কামালপুর এলাকায় .আইডব্লিউটি'র প্রতি সেফটিতে ইজারাদা ও তার লোকজন জোরপূর্বক আদায় করছে ৩ টাকা। তাদের চাহিদা অনুযায়ী টোলের টাকা না দিলে নৌকা আটক করে নৌ শ্রমিকদের মারধর করে। অনেক সময় এর প্রতিবাদ করলে নৌকার মালি ও ব্যবসায়ীরাও এই চাঁদাবাজ গ্রুপের হাতে হেনাস্তার শিকার হতে হয়। প্রতিটি টোল আদায়ের ঘরে সরকার নির্ধারিত টোল আদায়ের সাইনবোর্ড টানানো কথা থাকলেও নাই কোন দৃশ্যমান সাইনবোর্ড।
বক্তারা বলেন, অতিরিক্ত টোল আদায়ের প্রতিবাদে নৌ মালিক সমিতি ও ভুক্তভোগী শ্রমিকগণ গত এক সপ্তাহ পূর্বে আন্দোলন ও অনির্দিষ্টকালের জন্য নৌ ধর্মঘটের ডাক দিলে স্থানীয় এমপি কামরুজ্জামান কামরুল ও তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মেহেদী হাসান মানিক নৌ মালিক সমিতি ও ভুক্তভোগী শ্রমিকগণসহ ইজারাদাকে নিয়ে বাসে সরকার নির্ধারিত প্রতি সেফটিতে ৫০ পয়সা টোল আদায়ের নির্ধারণ করে দেয়। কিন্তু দুদিন যেতে না যেতেই ইজারাদারের লোকজন আবার শুরু করে অতিরিক্ত টোল আদায়।
বক্তারা আরও বলেন, আমরা এলসির পাথর সরকারকে ট্যাক্স ভ্যাট দিয়ে আনি। কিন্তু যাদুকাটা ও পাঠলাই নদীর পদেপদে টোলের নামে চাঁদা দিতে দিতেই আমাদের ব্যবসা শেষ। এখন আমাদের পেটে ভাত নাই, পড়নে কাপড় নাই। তাই এমপি মহোদয়, ইউএনও মহোদয় ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী উর্ধতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। এ চাঁদাবাজি বন্ধ না করলে আমরা আবারো ধর্মঘটসহ কঠোর আন্দোলনের ডাক দেব।
মানববন্ধন বক্তব্য রাখেন, তাহিরপুর নৌ মালিক সমিতির সদস্য ও স্টোনক্রাশার মালিক সমিতির সহ-সভাপতি অলি ইসলাম, স্টোনক্রাশার মালিক সমিতির সদস্য মুহাম্মদ নুরুদ্দিন, সদস্য নবী নূর ,জাহিদুল ইসলাম, নৌ মালিক সমিতির সদস্য বাসির মিয়া প্রমুখ।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









