টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে সিলেটের প্রধান দুই নদীসহ অধিকাংশ নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। ইতোমধ্যে সুরমা ও কুশিয়ারার পানি দুটি পয়েন্টে বিপৎসীমা ছাড়িয়েছে। পাহাড়ি ঢলের প্রভাবে নদ-নদী ও হাওরে পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র। এর ফলে সিলেটের নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি কিংবা বিদ্যমান পরিস্থিতির আরও অবনতির আশঙ্কা করা হচ্ছে।
সিলেট পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) তথ্য অনুসারে, বৃহস্পতিবার বেলা ১২টায় কুশিয়ারা নদীর ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার শূন্য দশমিক ৩৮ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। অন্যদিকে কুশিয়ারা নদীর কানাইঘাট পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার শূন্য দশমিক ১ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এ দুই নদীর অন্য পয়েন্টেও পানি বৃদ্ধি অব্যাহত আছে। এ ছাড়া সারিগোয়াইন, পিয়াইন, লোভাছড়া নদীতে পানি বাড়ছে। তবে ধলা নদীর পানি হ্রাস পাচ্ছে।
সিলেট পানির উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী দীপক রঞ্জন দাশ জানান, ভারতের মেঘালয়ের বিভিন্ন এলাকায় ভারি থেকে অতি ভারি বৃষ্টি হচ্ছে। যে কারণে সীমান্তবর্তী নদ-নদীতে পাহাড়ি ঢলের চাপ তীব্র হয়েছে। যার সরাসরি প্রভাব পড়ছে সিলেট বিভাগের নদীগুলোতে, ফলে দ্রুত বাড়ছে পানির স্তর।
তিনি আরও জানান, পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় সিলেট জেলার নিম্নাঞ্চলে নতুন করে স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে, কিংবা বিদ্যমান বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটতে পারে।
এদিকে সিলেট আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় সিলেটে (গতকাল সকাল ৬টা থেকে আজ সকাল ৬টা পর্যন্ত) ১৮ দশমিক ৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টায় সিলেট অঞ্চলে ভারি বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









