পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে উপ-প্রশাসনিক কর্মকর্তার অফিস থেকে চাবি চুরির ঘটনায় মামলা হয়েছে। মামলার একমাত্র আসামী এবিএম ফারুক হাসান মঠবাড়িয়া সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এবং উত্তর মিঠাখালী গ্রামের মৃত মতিয়ার রহমানের ছেলে।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) উপ-প্রশাসনিক কর্মকর্তা তানভীর খান বাদী হয়ে মঠবাড়িয়া থানায় মামলাটি দায়ের করেন।
মামলায় উল্লেখ করা হয়, ইউপি চেয়ারম্যান এবিএম ফারুক হাসান ঘটনার দিন অফিস চলাকালীন সময়ে তার নিজ প্রয়োজনে ইউএনও অফিসের ওই কক্ষে প্রবেশ করেন। এরপর তিনি সুযোগ বুঝে উপ-প্রশাসনিক কর্মকর্তার ওই অফিসের চাবি সহ অন্যান্য সর্বমোট ২৫টি চাবিযুক্ত এবং এর সাথে সরকারি তথ্য সংবলিত পেনড্রাইভ সহ চাবির ছড়াটি চুরি করিয়া নিয়া যায়। খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে সিসি ক্যামেরায় তাকে চাবি নিতে দেখা যায়। এরপর তাকে ফোন দিলেও চাবি নেওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করে। একপর্যায়ে ৩/৪ ঘন্টা পর চেয়ারম্যান অফিসে এসে চাবির ছড়াটি ফেরত দেয়।
এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, চেয়ারম্যান এর একাধিক অনিয়ম গোপনীয় প্রতিবেদন ওই অফিসে সংরক্ষিত আছে। বিবাদী ইতিপূর্বে মৌখিকভাবে ওই প্রতিবেদন দেখতে চেয়েছিল। কিন্তু না পেয়ে চুরির এই পথ অবলম্বন করে। অফিসের সরকারী নথিপত্রের বিনষ্ট সাধন করে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের ওই গোপনীয় কর্মকর্তার চাকুরি জীবনের ক্ষতি সাধনের চেষ্টা করে। বিবাদী সরকারি অফিস সহ ইউএনও বাংলোর সকল চাবির নকল কপি তৈরি করতে পারেন বলেও সন্দেহের সৃষ্টি হয়েছে। ভবিষ্যতে সরকারী নথিপত্রের ক্ষতিসাধন হলে ইউপি চেয়ারম্যান এবিএম ফারুক হাসান দায়ী থাকবে বলেও মামলায় উল্লেখ করা হয়।
এ ব্যপারে অভিযুক্ত এবি এম ফারুক হাসান জানান, “ভুলবশত চাবি আনলেও ফেরত দিয়েছি।”
মঠবাড়িয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রবিউল ইসলাম জানান, অভিযোগের ভিত্তিতে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









