আমনের ভরা মৌসুমে রাজশাহীতে সারের জন্য একের পর এক হয়রানির সম্মুখীন হচ্ছেন কৃষকেরা। সারের জন্য ডিলারের বিক্রয়কেন্দ্রে গিয়ে কৃষকেরা অপেক্ষা করছেন, কিন্তুু রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলায় ডিলারের বিক্রয়কেন্দ্রে খোলা কিন্তু কৃষক নেই। ডিলারদের দাবি সারের কোন সংকট নেই। আমাদের কাছে প্রয়োজনীয় সার মজুত আছে। যা কৃষকদের মাঝে সরকারি নিরধারিত মূল্যে বিক্রয় করা হচ্ছে।
মোহনপুর একটি কৃষি নিরভর উপজেলা। ধান, পান ও আলুসহ সবধরণের ফসল উৎপাদনের উর্বর ভূমি হিসেবে উপজেলাটি প্রসিদ্ধ। উপজেলা কৃষি অফিসারের সার্বক্ষনিক তৎপরতায় সার সরবরাহে দায়িত্বশীল ডিলারগণও।
উপজেলা কৃষি বিভাগের সূত্র মতে, চলতি মৌসুমে আমন ধানের আবাদ হয়েছে ৪১০০ হেক্টর জমিতে। আমন মৌসুমে আগস্ট মাসে বরাদ্দকৃত সারের পরিমাণ ইউরিয়া-৫৫০ মে. টন, টিএসপি-৮০ মে.টন, ডিএপি-২২০ মে. টন, এমওপি-১১০ মে. টন। বরাদকৃত সার কৃষকদের মাঝে সুষ্ঠুভাবে বিতরণ অব্যাহত রয়েছে।
এখন পর্যন্ত উপজেলায় ইউরিয়া ১৬৭ মে. টন, টিএসপি-২৫.১৫ মে. টন, ডিএপি-৫২.৬৫ মে. টন, এমওপি-৫৩.১ মে. টন মজুদ আছে। যা পর্যাপ্ত মজুদ। তবে বানিজ্যিক ভাবে পুকুর ও বিলে মাছ চাষের জন্য কিছুটা ডিএপি ও টিএসপি সারের অতিরিক্ত চাহিদা রয়েছে।
মাছ চাষীদের জন্য অতিরিক্ত বরাদ্দ পাওয়া গেলে সার নিয়ে কোনো সংকট সৃষ্টির আশংখ্যা নেই।
মোহনপুর উপজেলা সার ডিলার সমিতির সভাপতি ও জাহানাবাদ ইউনিয়নের বিসিআইসি সার ডিলার ইউসূফ আলী জানান, মোহনপুরে সারের কোন সংকট নেই আমার গোডাউনে এবং মোহনপুরে সকল ডিলারের গোডাউনে প্রয়োজনীয় সার মজুত আছে।
মোহনপুর উপজেলা কৃষি অফিসার বলেন মোহনপুরে কোন সারের সংকট নেই।
মোহনপুর উপজেলা কৃষি অফিসার কামরুল ইসলাম জানান, আমার উপজেলায় সারের কোন সংকট নেই। আমন চাষের জন্যে পযাপ্ত পরিমান সার মজুত আছে। আগামী মাসের সারের বরাদ্দ পেয়েছি মোহনপুর সারের সংকট নেই।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









