একদিকে পুলিশের অভিযানে উদ্ধার হচ্ছে বিপুল পরিমাণ গাঁজা-ইয়াবা; তবুও থামছে না মাদকের সরবরাহ। পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলা সদর থেকে ইউনিয়নের প্রত্যন্ত এলাকায় মাদকের বিস্তার নিয়ে স্থানীয়দের উদ্বেগ ক্রমেই বেড়ে চলছে। আর এতে সবচেয়ে বড় শঙ্কার জায়গায় তরুণ ও কিশোররা।
সাধারণ জনমনে প্রশ্ন, নিয়মিত অভিযান ও গ্রেপ্তারের পরও কেন মাদকের সরবরাহের পথ বন্ধ হচ্ছে না! ১১টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার প্রতিটা ওয়ার্ডে মাদক কেনাবেচার অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয়দের দাবি, আগে যেখানে নির্দিষ্ট কিছু জায়গায় মাদক কেনাবেচার কথা শোনা যেত, এখন অনেকটা ছড়িয়ে পড়েছে অলিগলি পর্যন্ত। ফলে সন্তানদের নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন অভিভাবকরা। পুলিশের অভিযানে গত মে মাসে পৌরসভার আরামবাগ এলাকায় একটি তালাবদ্ধ ঘরে অভিযান চালিয়ে ৩০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করে পুলিশ।
পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, উদ্ধার করা গাঁজার আনুমানিক বাজারমূল্য ছিল প্রায় ১৫ লাখ টাকা। এর এক মাস পর জুনে ঢাকা থেকে মঠবাড়িয়াগামী 'বিএম লাইন পরিবহন'-এর একটি বাসে তল্লাশি চালিয়ে ২ হাজার ৫টি ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
মঠবাড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল ইসলাম বলেন, ‘‘মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশ ‘জিরো টলারেন্স’ নীতিতে কাজ করছে পুলিশ। অলিগলিতে মাদক বিক্রি বন্ধে বিশেষ অভিযান ও নিয়মিত টহল জোরদার করা হয়েছে। মাদক কারবারিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে পুলিশ সর্বদা তৎপর।’’
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আতাউর রাব্বি বলেন, ‘‘মঠবাড়িয়ায় অল্প কয়েক দিন হলো দায়িত্ব নিয়েছি। মাদকের বিস্তার রোধে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’’
পিরোজপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য রুহুল আমিন দুলাল বলেন, ‘‘আগের সময়ের তুলনায় কিশোর গ্যাং ও মাদকের বিস্তার কমেছে। তবে এলাকায় মাদকের উপস্থিতির বিরুদ্ধে তাদের অবস্থান 'জিরো টলারেন্স'। মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’’


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









