গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের খাটিয়াগড় গ্রামে পুকুরে বিষাক্ত পদার্থ প্রয়োগ করে প্রায় ১০ লাখ টাকার মাছ মেরে ফেলার অভিযোগ উঠেছে।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে পুকুরে অসংখ্য মৃত মাছ ভেসে উঠতে দেখা যায়।
এতে এলাকায় দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়েছে। পুকুরটিতে চাষ করা প্রায় দুই লাখ প্রাপ্তবয়স্ক কই মাছের মধ্যে ৮০ শতাংশ মারা গেছে বলে দাবি করেছেন পুকুর মালিক।
পুকুরের মালিক নাসির উদ্দিন ফকিরের দাবি, পূর্বশত্রুতার জেরে প্রতিবেশী মোর্শেদ শেখ এ ঘটনা ঘটিয়েছেন।
নাসির উদ্দিন ফকিরের ছেলে সাজ্জাদ ফকিরের অভিযোগ, বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে মোর্শেদ শেখ পলিথিনে থাকা বিষাক্ত ট্যাবলেট পুকুরে ছুড়ে ফেলেন। বিষয়টি দেখে তিনি মোর্শেদকে ধরতে এগিয়ে গেলে তাকে ঘুষি মেরে পালিয়ে যান বলে দাবি করেন সাজ্জাদ।
পরে স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে গেলে অভিযুক্তের ফেলে যাওয়া পলিথিনের প্যাকেট দেখে বিষাক্ত পদার্থের আলামত পাওয়া গেছে বলে দাবি করেন তারা।
স্থানীয় বাসিন্দা মো. সুমন ফকির জানান, সাজ্জাদ ফকির ও মোর্শেদ শেখের মধ্যে বাকবিতণ্ডার শব্দ শুনে তিনি ঘটনাস্থলে যান। পরে মোর্শেদের ফেলে যাওয়া পলিথিনের প্যাকেট নাকের কাছে নিলে সেখান থেকে বিষাক্ত পদার্থের গন্ধ পেয়েছেন বলে জানান তিনি।
তার দাবি, ঘটনার পর সকাল থেকে পুকুরে বিপুলসংখ্যক মাছ মরে ভেসে উঠতে দেখা যায়।
তবে মাছ নিধনের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মোর্শেদ শেখ। তার দাবি, তিনি এ ঘটনার সঙ্গে কোনোভাবেই জড়িত নন।
গোপালগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘‘এ ঘটনায় একটি অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনাস্থলে একজন কর্মকর্তাকে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’’


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









