নীলফামারীর সৈয়দপুরে একটি পুকুর থেকে সক্রিয় একটি গ্রেনেড উদ্ধার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলার বোতলাগাড়ী ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের শ্বাসকান্দর ডাঙ্গাপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
প্রাথমিকভাবে গ্রেনেডটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ব্যবহৃত হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। উদ্ধার করা গ্রেনেডটি নিরাপদে নিষ্ক্রিয় করতে রংপুর থেকে র্যাবের বোমা নিষ্ক্রিয়করণ ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ডাঙ্গাপাড়ার আশির উদ্দিন শাহের পুকুরে বৃহস্পতিবার সকালে গোসল করতে যান স্থানীয় দুই যুবক তানভির ও আনসারুল। গোসলের একপর্যায়ে পানির নিচে তানভিরের পায়ে শক্ত কোনো বস্তুর স্পর্শ লাগে। পরে দুজন মিলে সেটি পানির নিচ থেকে তুলে আনেন। বস্তুটি দেখে তাদের কাছে গ্রেনেডের মতো মনে হলে তারা সেটি পুকুরপাড়ে নিয়ে আসেন। পরে তারা বিষয়টি সৈয়দপুর থানায় জানান।
তবে ওই দুই যুবকের অভিযোগ, থানায় জানানোর পর সেটিকে খেলনা মনে করে বিষয়টি গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। পরবর্তীতে ঝুঁকির বিষয়টি বিবেচনা করে তারা র্যাবকে খবর দেন। খবর পেয়ে শুক্রবার বিকেল ৫টার দিকে র্যাব-১৩ নীলফামারীর একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে গ্রেনেডটি উদ্ধার করে।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন র্যাব-১৩ নীলফামারীর স্কোয়াড কমান্ডার এএসপি এ টি এম তৌহিদুল ইসলাম ও কোম্পানি কমান্ডার আশরাফুল কবির।
পরে প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে বস্তুটি সক্রিয় গ্রেনেড বলে ধারণা করা হলে বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়। এরপর রংপুর থেকে সার্জেন্ট আব্দুল বারীর নেতৃত্বে র্যাবের বোমা নিষ্ক্রিয়করণ ইউনিটের একটি দল ঘটনাস্থলে আসে।
প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত উদ্ধার করা গ্রেনেডটি নিরাপদে নিষ্ক্রিয় করার কার্যক্রম চলছিল। গ্রেনেডটি কীভাবে ওই পুকুরে এলো এবং এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ব্যবহৃত কোনো অস্ত্র কি না, তা পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









