নীলফামারীতে ১৬ বছরের কার্যক্রম শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে সমাপ্ত হলো আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের নীলফামারী এডিপির কার্যক্রম।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জেলা শিল্পকলা অডিটোরিয়ামে ধন্যবাদ জ্ঞাপন ও সমাপনী অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে এ কার্যক্রমের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন নীলফামারীর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান। বিশেষ অতিথি ছিলেন ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের অপারেশনস অ্যান্ড টেকনিক্যাল প্রোগ্রামের পরিচালক লিমা হান্না দারিং এবং নর্দান বাংলাদেশ ক্লাস্টারের ফিল্ড অপারেশন বিভাগের ডেপুটি ডিরেক্টর রাজু উইলিয়াম রোজারিও। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংস্থার অপারেশনস বিভাগের সিনিয়র ডিরেক্টর চন্দন জেড গমেজ।
স্বাগত বক্তব্য দেন ওয়ার্ল্ড ভিশন নীলফামারী এডিপির সিনিয়র ম্যানেজার অনুকুল চন্দ্র বর্মণ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন শিশু ফোরামের সদস্য আরিফা আক্তার ও যুব ফোরামের সদস্য কবির হোসেন সোহাগ।
অনুষ্ঠানে নীলফামারীতে ওয়ার্ল্ড ভিশনের ১৬ বছরের কার্যক্রমের ওপর একটি প্রতিবেদন এবং সফলতার গল্প নিয়ে প্রকাশিত বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করা হয়। শুরুতে সংস্থার শিল্পীরা নৃত্য পরিবেশন করেন।
স্বাগত বক্তব্যে অনুকুল চন্দ্র বর্মণ বলেন, ২০১০ সালে নীলফামারী পৌরসভা এবং টুপামারী, খোকশাবাড়ি ও পলাশবাড়ি ইউনিয়নে শিশু শ্রম হ্রাস, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ, আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ও শিক্ষা কার্যক্রম নিয়ে কাজ শুরু করে ওয়ার্ল্ড ভিশন। দীর্ঘ ১৬ বছরের কার্যক্রমে বিভিন্ন ক্ষেত্রে কাঙ্ক্ষিত সাফল্য অর্জন সম্ভব হয়েছে। এ অর্জনের পেছনে স্থানীয় জনগণ, উপকারভোগী ও সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা রয়েছে।
তিনি বলেন, অর্জিত সাফল্য ধরে রাখতে উপকারভোগীসহ সংশ্লিষ্টদের ঐকমত্যের ভিত্তিতে কার্যক্রম অব্যাহত রাখার উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান বলেন, তৃণমূল পর্যায়ে টেকসই পরিবর্তন আনতে সরকারি ও বেসরকারি সংস্থাগুলোকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হয়। শুধু সরকারের পক্ষেই সব কাজ করা সম্ভব নয়। এনজিওগুলোও তৃণমূল পর্যায়ে বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
তিনি নীলফামারীতে ১৬ বছর ধরে কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ওয়ার্ল্ড ভিশনকে ধন্যবাদ জানান।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









