ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জ-১ (রূপগঞ্জ) আসনে সাত প্রার্থীর প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ লড়াইয়ে পাঁচ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের বিধি অনুযায়ী মোট প্রদত্ত ভোটের এক-অষ্টমাংশ বা ১২ দশমিক ৫ শতাংশের কম ভোট পাওয়ায় তারা সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া জামানতের অর্থ ফেরত পাননি।
রিটার্নিং কর্মকর্তার ঘোষিত ফলাফলে দেখা যায়, ১২৯টি কেন্দ্রে মোট ভোট পড়েছে ২ লাখ ৫৬ হাজার ৩৮৪টি। এর মধ্যে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মুস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া (দিপু) ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ৫৫ হাজার ৪২১ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর আনোয়ার হোসেন মোল্লা (দাঁড়িপাল্লা) পেয়েছেন ৯০ হাজার ২৮৯ ভোট। এই দুই প্রার্থীই কেবল সাড়ে ১২ শতাংশ ভোটের বাধা অতিক্রম করে জামানতের অর্থ ফেরত পাচ্ছেন।
অন্যদিকে, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখা প্রতীকের মো. ইমদাদুল্লাহ হাশেমি পেয়েছেন ৭ হাজার ১৮৬ ভোট; বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) মনোনীত মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান চন্দন (কাস্তে) পেয়েছেন ২৬১ ভোট; ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশ পার্টির মোহাম্মদ রেহান আফজাল (আপেল) পেয়েছেন ২০৭ ভোট। এছাড়া গণ-অধিকার পরিষদের (ট্রাক) প্রার্থী ওয়াসিম উদ্দিন ও স্বতন্ত্র (জাহাজ) প্রার্থী মো. দুলাল হোসেন আগেই নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান। ফলে নির্ধারিত ভোটের সীমা অতিক্রম করতে না পারায় তাদের জামানতও বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন জানান, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) অনুযায়ী মনোনয়নপত্র জমার সময় প্রত্যেক প্রার্থীকে ৫০ হাজার টাকা জামানত দিতে হয়। মোট প্রদত্ত ভোটের অন্তত এক-অষ্টমাংশ ভোট না পেলে সেই অর্থ বাজেয়াপ্ত হয়।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত ১২৯টি কেন্দ্রে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে বিরতিহীন ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। ভোট গণনা শেষে বৃহস্পতিবার রাতেই সর্বোচ্চ ভোট পাওয়ায় ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপি মনোনীত মুস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপুকে প্রাথমিকভাবে বিজয়ী ঘোষণা করেন সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও রূপগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাইফুল ইসলাম।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









