ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রংপুরের ৩টি আসনে ভোট গণনায় কারচুপি হয়েছে এমন অভিযোগ এনে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে স্মারকলিপি পেশ করেছেন পরাজিত প্রার্থীরা।
রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি পেশ করা হয়।
রংপুর-৩ আসনের বিএনপির পরাজিত প্রার্থী মো. শামসুজ্জামান সামু বলেন, ‘কী এমনটা ঘটেছিল, যে তারা ১ লাখ ৭৫ হাজার ভোট পাবে। যারা বোরখা পরে এসেছিল, তারা ভোট দেওয়ার সুযোগ পেয়েছিল। ভোট গণনার সময় আমার ধানের শীষের বান্ডিলে ১২০টি ব্যালট পেপার দিয়ে একশ এবং দাঁড়িপাল্লার ক্ষেত্রে ৮০টি ব্যালট পেপারে একশ হিসেবে চালিয়েছে। আমি কারচুপির এই ভোটের পুনরায় গণনা চাই।’
রংপুর-৪ (পীরগাছা-কাউনিয়া) আসনের বিএনপির পরাজিত প্রার্থী এমদাদুল হক ভরসা জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা কে বলেন, ‘আপনি আমার ভোট কারচুপি করছেন। আমার স্ত্রী-সন্তানকে কাঁদিয়েছেন, আমি অভিশাপ দিলাম। আল্লাহ আপনার স্ত্রী-সন্তানকে রাস্তায় রাস্তায় কাঁদাবে, আল্লাহ আপনার বিচার করবে, আল্লাহ আপনার বিচার করবে।’
রংপুর-৬ (পীরগঞ্জ) আসনের বিএনপির পরাজিত প্রার্থী মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘নির্বাচনে ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমে আমাকে পরাজিত করা হয়েছে। আমরা প্রতিশ্রুতি পেয়েছিলাম যে, এবারের নির্বাচন ফেয়ার হবে। এজন্য আমি আমার নির্বাচনি এলাকার ভোটারদের কর্মসংস্থান, মেগা প্রকল্প গ্রহণসহ বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভোট নিয়েছিলাম। কিন্তু জামায়াত মদদপুষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তা ভোট ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমে আমাকে পরাজিত করা হয়েছে। আমি পুনরায় ভোট গণনার দাবি জানাচ্ছি।’
এরআগে, পীরগাছা, কাউনিয়া, রংপুর সদর ও সিটি করপোরেশন এবং পীরগঞ্জের ধানের শীষের কর্মী ও সমর্থকরা বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে রংপুর ডিসি অফিস ঘেরাও করে।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









