গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে নেওয়ার পথে পুলিশের প্রিজন ভ্যান থেকে পালিয়ে যাওয়া রাজা ওরফে পিচ্চি রাজা কে প্রায় সাত দিনেও গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। তবে তাকে পালিয়ে যেতে সহায়তার অভিযোগে দায়িত্বে থাকা দুই পুলিশ সদস্যকে ৩ অক্টোবর শনিবার তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার দুজন হলেন—উপপরিদর্শক (এসআই) প্রবীর কুমার ও প্রিজন ভ্যানের চালক নায়েক কামাল হোসেন। শনিবার তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ ঘটনায় দায়িত্বে থাকা আরও তিন পুলিশ সদস্যকে নজরদারিতে রাখা হয়েছে।
পুলিশ ও কারাগার সূত্রে জানা গেছে, গত ২৭ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে কাশিমপুর কারাগারে ফেরত নেওয়ার পথে প্রিজন ভ্যান থেকে পালিয়ে যান পিচ্চি রাজা। প্রথমে গাজীপুরের বাইমাইল এলাকা থেকে পালানোর কথা বলা হলেও তদন্তে নতুন তথ্য উঠে এসেছে। পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, তিনি ঢাকার তাঁতীবাজার এলাকা থেকেই পালিয়েছিলেন।
এ ঘটনায় প্রিজন ভ্যানে দায়িত্বে থাকা পাঁচ পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছিল। পরে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে তদন্ত কমিটি। তদন্তে দুই পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে পিচ্চি রাজাকে পালিয়ে যেতে সহায়তার অভিযোগ পাওয়ায় তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
এ ব্যাপারে পর্যবেক্ষণ কমিটির সদস্য কোনাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইফতেখার হোসেন বলেন, প্রিজনভ্যান কারাগার থেকে আদালত এবং আদালত থেকে কারাগার এর মধ্যে কোথাও থামার সুযোগ নেই। বড় বিপদ হলে নিকটবর্তী থানায় থামাতে হবে। কিন্তু তারা (প্রিজনভ্যানের সঙ্গে থাকা দায়িত্বরত পুলিশ) যে স্থানে থামানোর কথা বলছে সেখানে থামানোর প্রশ্নয় উঠে না। তিনি আরও বলেন ওই পাঁচ পুলিশ সদস্যেকে সাময়িক বরখাস্ত করে তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা দায়ের করা হয়েছে। আমাদের পর্যবেক্ষণের কাজ শেষ হলে প্রতিবেদন দাখিল করা হবে। এরপর বিভাগীয় মামলার কার্যক্রম শুরু হবে।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









