শহিদুল ইসলাম একজন রঙ্গীন ফুলকপি চাষি। তার গ্রামের বাড়ি নেত্রকোণার কেন্দুয়ার রোয়াইলবাড়ি আমতলা ইউনিয়নের নিলাম্বরখিলা।রঙ্গীন ফুলকপি চাষে অতীতেও তিনি লাভবান হয়েছেন।এখনো লাভের স্বপ্ন দেখছেন।
বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলের ফসলের নিবিড়তা বৃদ্ধিকরণ প্রকল্প কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আওতায় উপজেলা কৃষি অফিস কর্তৃক তার ৩৩ শতক জমিতে রঙ্গীন ফুলকপি চাষ করেছেন তিনি।খুব অল্প খরচে কয়েকগুন লাভের আশায় দিন গুনছেন এখন।
সরেজমিনে গিয়ে কথা হয়,কৃষক মোঃ শহিদুল ইসলামের সাথে। তিনি বলেন, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তার পরামর্শ ও সহযোগিতায় আমি এই ফুলকপি চাষ করেছি। এতে ৯০ থেকে ১০০ দিন সময় লাগে। তিনি আরো বলেন,মোট ১৪ হাজার থেকে ১৫ হাজর টাকার মতো খরচ হয়েছে আমার। আল্লাহ সহায় থাকলে খরচ বাদে আমি ৪০হাজর থেকে ৫০হাজার টাকার মতো লাভবান হবো বলে আশা করছি।
উপজেলা উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্মদ ওহীদুজ্জামান বলেন, অন্য ফুলকপির চেয়ে রঙ্গীন ফুলকপির গুণগত মান অনেক ভালো। এই কপি মূলত বেড টু বেড সিস্টেমে উৎপাদন করতে হয়। যাতে গাছের গোড়ায় পানি জমে পঁচে না যায়। মাঝেমধ্যে লেদা পোকার আক্রমণ হলেও সামান্য কীটনাশকেই দূর করা যায়।
এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা উজ্জ্বল সাহা জানান, উল্লেখিত রঙ্গীন ফুলকপি প্রদর্শনী ছাড়াও উপজেলায় অনেক কৃষক এর চাষ করেছেন।উপজেলা কৃষি অফিস যে কোন পরামর্শ ও সহযোগিতায় কৃষকের পাশে আছে।
কাওছার আল হাবীব/এদিন


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









