কুষ্টিয়ার কুমারখালীর ছেঁউড়িয়ায় বাউল সম্রাট ফকির লালন শাহের আখড়াবাড়ির দানবাক্সে পাওয়া গেছে ৬ লাখ ৪৯ হাজার ৩৪৮ টাকা।
শনিবার (১০ অক্টোবর) সকালে স্থানীয় প্রশাসন ও লালন একাডেমির কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে এবং সাধারণ মানুষ ও গণমাধ্যমকর্মীদের সামনে মাজারের ভেতরে ও বারান্দায় থাকা দুটি দানবাক্স খোলা হয়।
প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, সাধারণত ছয় থেকে সাত মাস পরপর বা বছরে দুবার এসব দানবাক্স খোলা হয়। প্রথমবার অক্টোবর মাসে এবং দ্বিতীয়বার লালন তিরোধান দিবসের স্মরণোৎসবের পর দানবাক্স খোলা হয়। ভক্তদের দেওয়া মানত ও দানের টাকা গণনা শেষে লালন একাডেমির নির্ধারিত তহবিলে জমা রাখা হয়।
বিগত বছরের অক্টোবরে দানবাক্স খুলে পাওয়া গিয়েছিল ৪ লাখ ৯২ হাজার ২৬৪ টাকা। এবার গতবারের তুলনায় ১ লাখ ৫৭ হাজার ৮৪ টাকা বেশি পাওয়া গেছে।
দানবাক্স খোলার সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) ও লালন স্মরণোৎসবের অর্থ উপকমিটির আহ্বায়ক জাকির হোসেন, সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসান রিফাত, কুমারখালীর সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাভিদ সারওয়ারসহ প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তা ও লালন একাডেমির সদস্যরা।
কুমারখালীর সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাভিদ সারওয়ার জানান, স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে এখন থেকে গণমাধ্যমকর্মীদের উপস্থিতিতে দানবাক্স খোলা হবে। গণনা শেষে পাওয়া টাকা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বুঝে নেওয়া হয়েছে। পরে তা লালন একাডেমির নির্ধারিত ব্যাংক হিসাবে জমা দেওয়া হবে।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









