সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার সেলবরষ ইউনিয়নের কাকিয়াম গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য ফজলুর রহিম কাজলের মৃত্যুকে হত্যাকাণ্ড দাবি করে মানববন্ধন করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
সোমবার (১২ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার বাদশাগঞ্জ বাজারে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা কাজলের মৃত্যুর প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটন, ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত এবং তাদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
স্থানীয় বাসিন্দা তোফাজ্জ্বল হোসেন তালুকদারের সভাপতিত্বে এবং মুখলেছুর রহমানের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে বক্তব্য দেন স্থানীয় শিক্ষানুরাগী খায়রুল বশর ঠাকুর খান, বাদশাগঞ্জ পাবলিক বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি জুলফিকার আলী ভুট্টো, সেলবরষ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গোলাম ফরিদ খোকা, বাদশাগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক ইসতিয়াক হোসেন চৌধুরী স্বপন, সেলবরষ ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আবু তাহের সোনা মিয়া, সাবেক সদস্য নাসির মিয়া, সেলবরষ ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি আহম্মদ আলী এবং নিহতের বড় ভাই ফজলুল করিম বুলবুল প্রমুখ।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার সকালে বাড়ি থেকে কর্মস্থলের উদ্দেশে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হন ফজলুর রহিম কাজল। ওই দিন রাতেই তার ছেলে মারুফ হাসান রওনক ধর্মপাশা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
এরপর শুক্রবার সকালে নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ উপজেলার বিরামপুর গ্রামের একটি নির্জন স্থানে গাছের মগডাল থেকে কাজলের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তার মৃত্যুর ঘটনায় পরিবারের সদস্যদের মধ্যে সন্দেহ দেখা দিয়েছে।
পরিবারের দাবি, কাজলকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে গাছের ডালে বসিয়ে রাখা হয়েছিল।
এ ঘটনায় মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন এবং জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্তের দাবি জানিয়েছেন পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় বাসিন্দারা।
মোহনগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাফিজুল ইসলাম হারুন বলেন, ‘‘মরদেহের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়া গেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।’’


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









