সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদের আওতায় বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ বাস্তবায়নে ১৪ কোটি টাকার প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। এসব প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ের কাজের চেক বিতরণ করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে প্রকল্পগুলোর কাজ বাস্তবায়নের পাশাপাশি সরকারি বরাদ্দের অর্থের যথাযথ ব্যবহার ও কাজের গুণগত মান নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন জেলা পরিষদের প্রশাসক মিজানুর রহমান চৌধুরী।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) দুপুরে জেলা পরিষদের হলরুমে আয়োজিত উন্নয়ন প্রকল্পের চেক হস্তান্তর অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রশাসক মিজানুর রহমান চৌধুরী বলেন, ‘‘জেলা পরিষদ জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছে। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী জেলার উন্নয়ন কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। ইতোমধ্যে ১৪ কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। এসব প্রকল্পের আওতায় রাস্তাঘাট, মসজিদ, মন্দির, কালভার্ট ও গার্ডওয়াল নির্মাণসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ করা হবে।’’
তিনি বলেন, ‘‘উন্নয়ন প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ের কাজের চেক বিতরণ করা হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে অন্যান্য কাজও বাস্তবায়ন করা হবে। প্রকল্পের ধরন অনুযায়ী প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটি (পিআইসি) ও দরপত্র প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কাজ সম্পন্ন করা হবে।’’
সরকারি অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করে জেলা পরিষদ প্রশাসক বলেন, ‘‘সরকারের দেওয়া বরাদ্দ যাতে কোনোভাবেই অপচয় না হয়, সেদিকে সংশ্লিষ্ট সবাইকে খেয়াল রাখতে হবে।’’ উন্নয়নকাজের অগ্রগতি ও বাস্তবায়ন পরিস্থিতি দেখতে জেলা পরিষদের কর্মকর্তা এবং তিনি নিজে প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করবেন।
অনুষ্ঠানে নির্বাহী প্রকৌশলী সমর কুমার পাল সঞ্চালনা করেন। এ সময় বিভিন্ন মসজিদের ইমাম, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিক এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
জেলা পরিষদের এসব প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে জেলার বিভিন্ন এলাকায় সড়ক যোগাযোগ ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোগত উন্নয়নের সুযোগ তৈরি হবে। তবে প্রকল্পগুলোর সুষ্ঠু বাস্তবায়ন, নির্ধারিত মান বজায় রাখা এবং সরকারি অর্থের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে কার্যকর তদারকি গুরুত্বপূর্ণ।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









