সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১৭ ফাল্গুন ১৪৩২

The Daily Adin Logo
The Daily Adin Logo

অপহরণ ও নির্যাতনের অভিযোগে সাবেক প্রতিমন্ত্রীসহ ১৪ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা

প্রকাশিত: ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৮:০৯ পিএম

আপডেট: ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৮:০৯ পিএম

অপহরণ ও নির্যাতনের অভিযোগে সাবেক প্রতিমন্ত্রীসহ ১৪ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় বিএনপির প্রার্থীর এক কর্মীকে অপহরণ ও নির্যাতনের অভিযোগে সাবেক পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী, পুলিশ কমিশনার ও রিটার্নিং কর্মকর্তাসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা রুজুর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) বরিশালের চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জহির উদ্দিন এ আদেশ দেন বলে আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. আব্দুর রহমান নিশ্চিত করেছেন।

আদালতের নির্দেশে যাদের বিরুদ্ধে মামলা রুজুর আদেশ দেওয়া হয়েছে, সাবেক পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ও বরিশাল-৫ আসনের একাদশ সংসদ নির্বাচনে মহাজোট প্রার্থী জাহিদ ফারুক শামীম, বরিশাল মহানগর পুলিশের সাবেক কমিশনার মো. রুহুল আমিন, তৎকালীন রিটার্নিং কর্মকর্তা ও বরিশালের জেলা প্রশাসক এস. এম অজিয়র রহমান, উপ-পুলিশ কমিশনার মোয়াজ্জেম হোসেন ভূঁইয়া, বন্দর থানার ওসি মোস্তফা কামাল হায়দার, পরিদর্শক (তদন্ত) শাহ মো. ফয়সাল আহম্মেদ, এসআই আব্দুল মালেক, এএসআই সহিদুল ইসলাম, এএসআই রাসেল মিয়া, এএসআই এরফান হোসেন মিদুল, এএসআই রফিকুল ইসলাম, এএসআই মোহাম্মদ মিলন বিশ্বাস, এএসআই মেহেদি হাসান মোল্লা ও কনস্টেবল ফয়জুল।

মামলার বাদী বরিশাল জেলা যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. মশিউল আলম খান পলাশ অভিযোগ করেন, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় বিএনপির প্রার্থী অ্যাডভোকেট মজিবুর রহমান সরোয়ারের সঙ্গে তিনি সার্বক্ষণিক প্রচারণায় যুক্ত ছিলেন। সে সময় বরিশাল-৫ আসনে বিএনপির নেতাকর্মীরা স্বাধীনভাবে প্রচারণা চালাতে পারেননি বলেও দাবি করেন তিনি।

পলাশের ভাষ্য অনুযায়ী, সদর উপজেলার চন্দ্রমোহন এলাকায় লিফলেট বিতরণের উদ্দেশে প্রার্থীর সঙ্গে স্পিডবোটে রওনা দিলে তিন দিক থেকে ধাওয়া করা হয়। বিশ্বাসের হাট এলাকায় পৌঁছালে নদীর মাঝখান থেকে সাদা পোশাকধারী পুলিশ সদস্যরা তাকে তুলে নিয়ে যায়। পরে চোখ বেঁধে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে শারীরিক নির্যাতন করা হয়। একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় তাকে হত্যা করা হয়নি বলেও অভিযোগ করেন তিনি। পরবর্তীতে বন্দর থানায় নিয়ে তার বিরুদ্ধে দুই-তিনটি মামলা দায়ের করা হয়।

তিনি আরো অভিযোগ করেন, নির্যাতনের ফলে এখনো মাঝে মাঝে তার পিঠে তীব্র ব্যথা হয়।

পলাশ জানান, গত ৫ আগস্ট আদালতে মামলা দায়ের করলে প্রথমে বন্দর থানার ওসিকে মামলা রুজুর নির্দেশ দেওয়া হয়। তবে ঘটনাস্থল নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি করে নদীর সীমানা ফিতা দিয়ে পরিমাপের পর ঘটনাস্থল কোতোয়ালি মডেল থানার আওতাভুক্ত দেখিয়ে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেওয়া হয়। এ প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে তিনি নারাজি দেন। দীর্ঘসূত্রতার পর রবিবার চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কোতোয়ালি মডেল থানায় এফআইআর হিসেবে মামলা রুজুর নির্দেশ দেন।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য জানার চেষ্টা করা হলে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

আদনান/বরিশাল/অই

Advertisement
এদিনের সব

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: মো. সাইদুল ইসলাম সাজু
নির্বাহী সম্পাদক: খন্দকার মোজাম্মেল হক

শরীয়তপুর প্রিন্টিং প্রেস ২৮/বি, টয়েনলি সার্কুলার রোড, মতিঝিল-১০০০, ঢাকা থেকে মুদ্রিত

যোগাযোগ করুন

টাওয়ার-এ (২য় তলা), হাউস-১৩, রোড-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩।

০২-২২৬৬০৩৩৫২

০১৮৯৭-৬৬৪৬৫৬

ইমেইল : dailyadinbd@gmail.com

আমাদের সোশ্যাল মিডিয়া

facebookyoutubetiktok

© স্বত্ব ২০২৬, দৈনিক এদিন

Design & Developed byBongosoft Ltd.