এইচএসসি পরীক্ষায় কুড়িগ্রাম জেলার ৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেননি। এসব প্রতিষ্ঠান থেকে ৭০ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে সবাই অকৃতকার্য হয়েছেন। দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের প্রকাশিত শূন্য পাসের তালিকা থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
বোর্ড সূত্রে জানা যায়, দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের অধীন আট জেলার ৪৯টি প্রতিষ্ঠানের কোনো পরীক্ষার্থীই এবার পাস করতে পারেননি। এর মধ্যে সর্বোচ্চ ৯টি প্রতিষ্ঠান কুড়িগ্রাম জেলার।
শতভাগ অকৃতকার্য এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে রৌমারীর চর শৌলমারী আদর্শ মহিলা কলেজ (২৪ জন), নাগেশ্বরী মডেল কলেজ (১৫), রাজারহাটের সিঙ্গার ডাবরীহাট কলেজ (১০) ও সিঙ্গার ডাবরীর হাট বি. এল. হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ (৬), নাগেশ্বরীর কুটি পেয়ারা ডাঙা স্কুল অ্যান্ড কলেজ (৫) ও চিলাখানা মডেল কলেজ (৪), উলিপুরের হযরত ফাতিমা (রা.) পৌর গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ (৩), চিলমারীর দক্ষিণ খাওরিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজ (২) এবং রাজারহাটের পাঙ্গারানী লক্ষ্মীপ্রিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজ (১)।
এদিকে জেলার সামগ্রিক ফলাফলও হতাশাজনক। এবার কুড়িগ্রাম থেকে ১১ হাজার ৭২২ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে পাস করেছেন ৪ হাজার ৭৭৩ জন। পাসের হার ৪০.৭২ শতাংশ। দিনাজপুর বোর্ডের আট জেলার মধ্যে পাসের হারে কুড়িগ্রামের অবস্থান ষষ্ঠ।
পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, ছাত্রদের পাসের হার ৩৫.৯৫ শতাংশ এবং ছাত্রীদের ৪৫.২১ শতাংশ। জেলায় জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১৩৬ জন। তাদের মধ্যে ৫৯ জন ছাত্র ও ৭৭ জন ছাত্রী।
শিক্ষা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মতে, চরাঞ্চল ও সীমান্তবর্তী এলাকার এসব প্রতিষ্ঠানে অবকাঠামোগত দুর্বলতা, শিক্ষক সংকট এবং শিক্ষার্থীদের নিয়মিত ক্লাসে অনুপস্থিতি ফল বিপর্যয়ের অন্যতম কারণ।
কুড়িগ্রামের জেলা শিক্ষা অফিসার মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, যেসব কলেজের সবাই অকৃতকার্য হয়েছেন, সেসব প্রতিষ্ঠানের বিষয়ে অফিস খুললেই পদক্ষেপ নিতে মাউশিতে লিখব। কলেজগুলো সরাসরি মাউশি নিয়ন্ত্রণ করে। এখানে আমার তেমন কিছু করার নেই।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









