পটুয়াখালীর দুমকিতে শ্রীরামপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও ব্যবসায়ী মো. খলিল জোমাদ্দারকে (৫৬) মারধর করে ২১ হাজার ৫০০ টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। তবে অভিযুক্তরা এ অভিযোগকে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) উপজেলার শ্রীরামপুর ইউনিয়নের তালতলী বাজারে এ ঘটনা ঘটে। খলিল জোমাদ্দার উপজেলার চরবয়ড়া গ্রামের কঞ্চন জোমাদ্দারের ছেলে।
ভুক্তভোগীর অভিযোগ, শনিবার তালতলী বাজারে গেলে ছাত্রদলের ইমরান ও রাকিব হাওলাদার ওরফে কসাই রাকিবসহ ৭-৮ জন তার ওপর অতর্কিত হামলা চালান। এ সময় তার পকেটে থাকা ব্যবসার ২১ হাজার ৫০০ টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয়।
খলিল জোমাদ্দার আরও অভিযোগ করেন, অভিযুক্তরা এলাকায় মাদক কারবারসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড এবং চোরাই গরু জবাই করে বিক্রির সঙ্গে জড়িত। নিজের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে শ্রীরামপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। তার মতো একজন রাজনৈতিক ব্যক্তি হামলার শিকার হলে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা কোথায়?
তিনি জানান, ঘটনার পর স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় দুমকি থানায় গেলে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তাকে চিকিৎসার জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠান।
তবে অভিযুক্ত রাকিব হাওলাদার মুঠোফোনে মারধর ও টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি দাবি করেন, তারা ড্রেজারের পাইপলাইন টানার কাজ করছিলেন। এ সময় খলিল জোমাদ্দার সেখানে এসে বাধা দিলে তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। তবে মারধর বা টাকা ছিনতাইয়ের কোনো ঘটনা ঘটেনি।
দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সেলিম উদ্দিন বলেন, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। তবে মৌখিকভাবে বিষয়টি জানানো হয়েছে। খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









