সিলেটে কার্যক্রম নিষিদ্ধ যুবলীগের ব্যানারে মিছিল করেছেন সংগঠনটির অর্ধশতাধিক নেতা-কর্মী।
শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সকালে নগরের জেলরোড এলাকা থেকে মিছিলটি শুরু হয়ে ধোপাদীঘির পাড়ে গিয়ে শেষ হয়।
মিছিল থেকে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও দলটির সভাপতি শেখ হাসিনার পক্ষে বিভিন্ন স্লোগান দেওয়া হয়। এ ঘটনার পর অভিযান চালিয়ে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের ১২ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নগরের জেলরোড থেকে ধোপাদীঘির পাড় পর্যন্ত এলাকায় আওয়ামী লীগ, এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের জেলা ও মহানগর পর্যায়ের নেতাকর্মীরা মিছিল বের করার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। খবর পেয়ে কোতোয়ালি মডেল থানার পাঁচটি দল যৌথ অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন জকিগঞ্জের হাতিডহর গ্রামের শামসুল ইসলামের ছেলে শাহেক আহমেদ (৩২), একই গ্রামের মৃত ইব্রাহিম আলীর ছেলে সেলিম আহমেদ (৩৭), মৌলভীরচক গ্রামের আবুল কালামের ছেলে মুন্না আহমেদ (২৯), কানাইঘাটের মেছা গ্রামের ফরিদ আলীর ছেলে দেলোয়ার হোসেন (৩৫), বীরদল আগফুদ গ্রামের মেজবাহ উদ্দিনের ছেলে তানিম ইকবাল (১৯) ও একই গ্রামের নুরুল হকের ছেলে সালেহ আহমেদ (১৮)।
এ ছাড়া দক্ষিণ সুরমার বরইকান্দি গ্রামের লিমন আহমেদের ছেলে ফাহিম হাসান রবি (১৮), গোপশহর গ্রামের আব্দুল মালিক খানের ছেলে জাকের খান (২৯), কানাইঘাটের মহেশপুর গ্রামের নসির আহমেদের ছেলে কিবরিয়া আহমেদ (৩০), দক্ষিণ সুরমার বরইকান্দি গ্রামের রেহান উল্লাহর ছেলে জুনায়েদ আহমেদ (৩৮), কানাইঘাটের জয়পুর পূর্ণখলা গ্রামের মৃত মকবুল আলীর ছেলে আলী আহমদ (৪৫) এবং বীরদল ছোটফৌদ গ্রামের মৃত মমিন উদ্দিনের ছেলে এন এম নাদিম (২০)।
পুলিশ জানায়, অভিযানের সময় তাদের কাছ থেকে একটি বড় ব্যানার, পাঁচটি ফেস্টুন ও ১৫টি লাল ক্যাপ উদ্ধার করা হয়েছে।
সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খান মুহাম্মদ মাইনুল জাকির এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি এদিনকে বলেন, ‘‘গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’’


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









