সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ১ চৈত্র ১৪৩২

The Daily Adin Logo
The Daily Adin Logo

ঈদে পর্যটক বরণে প্রস্তুত গারো পাহাড়ের পর্যটনকেন্দ্রগুলো

প্রকাশিত: ১৬ মার্চ ২০২৬, ০৯:৪৯ পিএম

আপডেট: ১৬ মার্চ ২০২৬, ০৯:৪৯ পিএম

ঈদে পর্যটক বরণে প্রস্তুত গারো পাহাড়ের পর্যটনকেন্দ্রগুলো

গারো পাহাড় শেরপুর জেলার উত্তর সীমান্তজুড়ে বিস্তৃত। শেরপুরের তিনটি উপজেলায় গারো পাহাড় অবস্থিত। এ গারো পাহাড়ে রয়েছে গজনী অবকাশ ও মধুটিলা ইকোপার্ক নামে দুটি পর্যটনকেন্দ্র। এছাড়াও পানিহাটা ও রাজার পাহাড়সহ রয়েছে একাধিক পর্যটনস্থান। শীতের সময়, ঈদ ও নানা দিবসে দেশের বিভিন্ন স্থানের মানুষের আগ্রহের কেন্দ্রে থাকে এসব পর্যটনকেন্দ্র।

আসন্ন ঈদের ছুটিতে দর্শনার্থীদের স্বাগত জানাতে পর্যটনকেন্দ্রগুলো ইতিমধ্যে ধোয়ামোছা ও রংকরণের কাজ করেছে। এসবের পাশাপাশি দর্শনার্থী বরণে নেওয়া হচ্ছে নানা প্রস্তুতি।

গারো পাহাড়ের অবকাশ পর্যটনকেন্দ্রে রয়েছে দৃষ্টিনন্দন ভাসমান সেতু, ওয়াটার পার্ক, ওয়াটার কিংডম ও প্যারাডোবা, ঝুলন্ত ব্রিজ, রোপওয়ে, জিপলাইনার, কেবল কার, প্যাডেল বোট, সাম্পান নৌকা, আলোকের ঝর্ণাধারা, মিনি চিড়িয়াখানা, শিশু পার্কসহ আকর্ষণীয় রাইড। ভিউ টাওয়ারে উঠে সীমান্তের এপার ও ওপারের পাহাড়গুলোর লুকোচুরির খেলা দেখার সুযোগ রয়েছে।

মধুটিলা ইকোপার্কে রয়েছে স্টার ব্রিজ, ওয়াচ টাওয়ার, প্যাডেল বোট, ঝর্ণা, মিনি চিড়িয়াখানা, শিশু পার্কসহ আকর্ষণীয় রাইড। মধুটিলায় সুউচ্চ টিলা রয়েছে। উঁচু টিলায় ওঠার সিঁড়িও রয়েছে।

দীর্ঘ এক মাস রমজান থাকায় পর্যটনকেন্দ্রগুলোতে তেমন ছিল না পর্যটকের আনাগোনা। আর এ সুযোগে প্রকৃতি তার মতো করে নিজেকে গড়ে নিয়েছে। সামনে ঈদে নয়নাভিরাম গারো পাহাড়ের নৈসর্গিক সৌন্দর্য দেখতে ছুটে আসবেন দর্শনার্থীরা। সারা দেশ থেকে মানুষ পাহাড়ে আসবেন প্রকৃতির সঙ্গে সময় কাটাতে। মানুষ পরিবার-পরিজন নিয়ে আসবেন গজনী অবকাশ ও মধুটিলা ইকোপার্কে। এবারের ঈদে লক্ষাধিক দর্শনার্থীর আগমন ঘটবে গারো পাহাড়ের নয়নাভিরাম পর্যটনকেন্দ্রগুলোতে। এ আশায় নানা প্রস্তুতি নিচ্ছেন এখানকার ব্যবসায়ী ও ইজারাদাররা।

গজনী বোটক্লাবের ইজারাদার এরশাদ হোসেন বলেন, আমরা শীতে অনেক দর্শনার্থী পেয়েছি। পরে আবার রমজান এসে পড়ায় এক মাস দর্শনার্থী পাইনি। তবে ঈদে প্রচুর দর্শনার্থী আসবে বলে আমরা প্রস্তুতি নিচ্ছি। ইতিমধ্যে রাইডগুলোতে রঙের কাজ করেছি। আমরা এবার ঈদে ভালো ব্যবসা করতে পারব। এক মাসের ঘাটতি পুষিয়ে নিতে পারব।

ফটোগ্রাফার রায়হান বলেন, আমরা এখানে ছবি তুলে যে টাকা পাই তাই দিয়ে সংসার চালাই। তবে রমজানে লোকজন আসেনি। কিন্তু ঈদে প্রচুর লোকজন আসবে। আমাদের ব্যবসাও ভালো হবে।

গজনী অবকাশ ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ছানোয়ার হোসেন বলেন, রমজান মাসে আমাদের এখানে লোকজন তেমন আসে না। কিন্তু ঈদের বন্ধে পাহাড় উপভোগ করতে দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে লোকজন আসবে। তাই আমাদের ব্যবসায়ীরা প্রস্তুতি নিচ্ছেন। নতুন মাল তুলছেন। রাইডগুলোও সাজানো হচ্ছে। আমরা আশা করি এবারের ঈদে ভালো সাড়া পাব।

স্থানীয় দর্শনার্থী মো. নিরব মিয়া বলেন, এই এক মাস আমরা দর্শনার্থীর দেখা পাইনি। তবে প্রতি ঈদেই প্রচুর দর্শনার্থী আসে। এবারও আসবে।

শেরপুরের গারো পাহাড়ে নয়নাভিরাম দৃশ্য দেখার জন্য মানুষ এখানে আনন্দ উপভোগ করতে আসবেন—এমন প্রত্যাশা এ কর্মকর্তার।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. শাকিল আহম্মেদ জানান, শেরপুরের অন্যতম আকর্ষণীয় পর্যটনকেন্দ্র হলো গজনী অবকাশ কেন্দ্র। ঈদ সামনে রেখে শেরপুরের পর্যটনকেন্দ্রগুলো নানাভাবে সাজিয়ে তোলা হচ্ছে। ঈদ উপলক্ষে বরাবরই এখানে প্রচুর পর্যটকের সমাগম ঘটে। গারো পাহাড়ের এসব পর্যটনকেন্দ্রে নিরাপত্তা জোরদারসহ নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আর এ পর্যটনকেন্দ্রগুলোতে নিরাপদেই আনন্দ উপভোগ করবেন আগতরা।

টিআর

Advertisement
এদিনের সব

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: মো. সাইদুল ইসলাম সাজু
নির্বাহী সম্পাদক: খন্দকার মোজাম্মেল হক

শরীয়তপুর প্রিন্টিং প্রেস ২৮/বি, টয়েনলি সার্কুলার রোড, মতিঝিল-১০০০, ঢাকা থেকে মুদ্রিত

যোগাযোগ করুন

টাওয়ার-এ (২য় তলা), হাউস-১৩, রোড-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩।

০২-২২৬৬০৩৩৫২

০১৮৯৭-৬৬৪৬৫৬

ইমেইল : dailyadinbd@gmail.com

আমাদের সোশ্যাল মিডিয়া

facebookyoutubetiktok

© স্বত্ব ২০২৬, দৈনিক এদিন

Design & Developed byBongosoft Ltd.