সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ১ চৈত্র ১৪৩২

The Daily Adin Logo
The Daily Adin Logo

প্রতিবন্ধী ভাতার টাকা যাচ্ছে অন্যের মোবাইলে

প্রকাশিত: ১৬ মার্চ ২০২৬, ০৯:৫২ পিএম

আপডেট: ১৬ মার্চ ২০২৬, ০৯:৫২ পিএম

প্রতিবন্ধী ভাতার টাকা যাচ্ছে অন্যের মোবাইলে

নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ উপজেলায় এক বছরেরও বেশি সময় ধরে একজনের নামে বরাদ্দ হওয়া প্রতিবন্ধী ভাতার টাকা অন্য ব্যক্তির মোবাইল নম্বরে চলে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় প্রতিকার ও ভাতার টাকা ফেরত চেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগীর পরিবার।

রোববার (৮ মার্চ) উপজেলার শুকদেবপুর গ্রামের বাসিন্দা খোকন মিয়া তার মেয়ে সুমাইয়া ফারহানা হাওয়ার প্রতিবন্ধী ভাতার টাকা অন্যের মোবাইলে যাওয়ার অভিযোগ করে ইউএনও’র কাছে আবেদন করেন।

জানা যায়, দীর্ঘদিন আগে স্থানীয় সাবেক সংরক্ষিত নারী ইউপি সদস্য মাকসুদা আক্তার প্রতিবন্ধী ভাতার কার্ড করে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে খোকন মিয়ার কাছ থেকে পাঁচ হাজার টাকা নেন। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহ ও ডাক্তারি পরীক্ষার পর আবেদনও করা হয়। আবেদনের সময় খোকন মিয়ার ব্যবহৃত মোবাইল নম্বরে নগদ অ্যাকাউন্ট খুলে সেটি জমা দেওয়া হয়েছিল।

কিন্তু এক বছর পার হলেও কোনো ভাতা না পেয়ে সম্প্রতি উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ে খোঁজ নিতে যান খোকন মিয়া। সেখানে গিয়ে তিনি জানতে পারেন, তার মেয়ের নামে ভাতা চালু হয়েছে প্রায় এক বছর আগে। তবে সেই ভাতার টাকা নিয়মিত যাচ্ছে প্রতিবেশী সাইদুর মিয়ার মোবাইল নম্বরে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সাইদুর মিয়া জানান, তিনিও ভাতার কার্ড করে দেওয়ার কথা বলে সাবেক নারী ইউপি সদস্য মাকসুদা আক্তারকে পাঁচ হাজার টাকা দিয়েছেন। তাই তিনি মনে করেছিলেন, যে ভাতা পাচ্ছেন সেটি তার জন্যই বরাদ্দ।

খোকন মিয়া বলেন, “মেয়ের প্রতিবন্ধী ভাতার জন্য অনেক আগেই আবেদন করেছি। মেম্বারকে পাঁচ হাজার টাকাও দিয়েছি। অথচ এক বছর ধরে ভাতার টাকা অন্যের মোবাইলে যাচ্ছে। এখন টাকা ফেরত চাইলে নানা অজুহাত দেখানো হচ্ছে।”

তবে সাবেক নারী ইউপি সদস্য মাকসুদা আক্তার ভাতার জন্য টাকা নেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছে। আগের এক দুর্নীতিগ্রস্ত সমাজসেবা কর্মকর্তা এ জটিলতা তৈরি করে গেছেন বলে তিনি দাবি করেন।

অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা রফিক উদ্দীন বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর উভয় পক্ষকে ডাকা হয়েছে। ভাতার টাকা যে মোবাইল নম্বরে গেছে তার স্টেটমেন্ট সংগ্রহ করতে বলা হয়েছে। প্রয়োজনীয় তথ্য পাওয়ার পর বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আমেনা খাতুন জানিয়েছেন, অভিযোগের বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সমাজসেবা কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

টিআর

Advertisement
এদিনের সব

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: মো. সাইদুল ইসলাম সাজু
নির্বাহী সম্পাদক: খন্দকার মোজাম্মেল হক

শরীয়তপুর প্রিন্টিং প্রেস ২৮/বি, টয়েনলি সার্কুলার রোড, মতিঝিল-১০০০, ঢাকা থেকে মুদ্রিত

যোগাযোগ করুন

টাওয়ার-এ (২য় তলা), হাউস-১৩, রোড-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩।

০২-২২৬৬০৩৩৫২

০১৮৯৭-৬৬৪৬৫৬

ইমেইল : dailyadinbd@gmail.com

আমাদের সোশ্যাল মিডিয়া

facebookyoutubetiktok

© স্বত্ব ২০২৬, দৈনিক এদিন

Design & Developed byBongosoft Ltd.