ভোলার সদর উপজেলায় আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে গাছ কাটার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষ রেবু গংদের বিরুদ্ধে। সোমবার (২৩ মার্চ) বিকেল ৪টার দিকে ভোলা সদর উপজেলার আলীনগর ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের মটোফি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, স্থানীয় শাহে আলমের স্ত্রী রেবু ওরফে বেবু বেগম, তার ছেলে মনির ও নয়নসহ কয়েকজন মিলে বিরোধপূর্ণ জমিতে থাকা সুপারি ও কলাগাছ কেটে নিয়ে যায়। সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, বেশ কয়েকটি সুপারি গাছ উপড়ে ফেলা হয়েছে এবং কলাগাছগুলো কেটে নষ্ট করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী আনোয়ারা বেগম বলেন , প্রায় ১৫০ বছর ধরে তাদের পূর্বপুরুষ মাজেদ আলী ওরফে নাজ্জআলী ওই জমির মালিক ছিলেন। বর্তমানে ওয়ারিশ সূত্রে তিনি ও তার পরিবারের সদস্যরা ১৪ শতাংশ জমির ভোগদখলে রয়েছেন। জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে তারা ভোলা সদর আদালতে রেবু গংদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন, যার নম্বর ১০১ এবং মামলাটি বর্তমানে বিচারাধীন রয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও প্রতিপক্ষ জোরপূর্বক গাছ কেটে জমি দখলের চেষ্টা করছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, আনোয়ারা বেগম ও রেবু বেগম পরস্পরের আত্মীয় এবং দীর্ঘদিন ধরে জমি নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ চলছে। তাদের দাবি, আনোয়ারা বেগমের পরিবারই দীর্ঘদিন ধরে জমিটি দখলে রেখে গাছ লাগিয়েছে।
এ বিষয়ে স্থানীয় প্রতিবেশী মো. ফোরকান বলেন, “আগে জমিটিতে চাষাবাদ হতো। প্রায় ১৬ বছর আগে এখানে গাছ লাগানো হয়। তবে এভাবে গাছ কেটে ফেলা ঠিক হয়নি।”
অভিযুক্ত বেবু বেগম সাংবাদিকদের কাছে বিস্তারিত বক্তব্য দিতে রাজি হননি। তবে তিনি দাবি করেন, জমিটি তার মালিকানাধীন এবং তিনি নিজের গাছই কেটেছেন। একই সঙ্গে তিনি আদালতে মামলা চলমান থাকার বিষয়টি স্বীকার করেন।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









