জ্বালানি তেলের সম্ভাব্য সংকট ও দাম বাড়ার গুজবে সারা দেশের ন্যায় শার্শা উপজেলার পেট্রোল পাম্পগুলোতে মোটরসাইকেলের দীর্ঘ লাইন পড়তে দেখা যাচ্ছে। সোমবার (৩১ মার্চ) উপজেলার বিভিন্ন তেল পাম্প ঘুরে দেখা যায়, ভোর সকাল হতেই মোটরসাইকেল মালিকরা সারিবদ্ধভাবে লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে তেলের অপেক্ষা করতে শুরু করেছেন।
চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় তেলপাম্পগুলোতে যানবাহনের দীর্ঘ লাইন হচ্ছে বলে পাম্প মালিকরা জানালেও, তেল গ্রহীতাদের অভিযোগ ভিন্ন। বেনাপোল, কাগজপুকুর, শ্যামলাগাছি, নাভারন, সাতমাইল, বাগঁআচড়াসহ বিভিন্ন স্থানের তেল পাম্পে তীব্র রোদে ঘন্টার পর ঘন্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা মোটরসাইকেল চালকরা জানান, পাম্পগুলোতে তেল থাকা সত্ত্বেও অধিক মুনাফা লাভের আশায় তা বিক্রি না করায় দীর্ঘ লাইনের সৃষ্টি হয়েছে।
ইতিমধ্যে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং তেলপাম্পগুলোর অতিরিক্ত নিরাপত্তা দিতে পুলিশ মোতায়ন করা হয়েছে। সীমান্ত পথে তেল পাচার রোধে বিজিবির তৎপরতা লক্ষ্যণীয়। তেলের অবৈধ মজুদ রোধে মাঠ পর্যায়ে তদারকি করছেন উপজেলা প্রশাসন। তবুও অনাকাঙ্খিত হট্টগোল দেখা দিচ্ছে।
এ বিষয়ে বেনাপোল ফিলিং স্টেশনের পরিচালক সেলিম বলেন, “আমরা ডিপো থেকে চাহিদা মোতাবেক আগের মতো জ্বালানি তেল পাচ্ছি না। তাই গ্রাহকদের চাহিদা অনুযায়ী তেল দিতে না পারায় তারা আমাদের উপর অকারণ চড়াও হচ্ছেন। উপজেলা প্রশাসন আমাদেরকে সাশ্রয়ীভাবে তেল দেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন। সেই অনুযায়ী একজন গ্রাহককে সর্বোচ্চ ৫শত টাকার পেট্রোল ও অকটেন সরবরাহ করছি।”
জ্বালানি তেল সংকট বিষয়ে জানতে চাইলে শার্শা উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি নিয়াজ মাখদুম বলেন, “জ্বালানি তেল সংকট সরকারিভাবে এমন কোনো বার্তা উপজেলা প্রশাসনের কাছে নেই। বিশৃঙ্খলা এড়াতে শার্শা উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সকল তেলপাম্পে ট্যাগ অফিসার নিয়োগ করা হয়েছে। উপজেলা তেলপাম্পগুলো গ্রাহকদের তেল সরবরাহ করছে এবং জ্বালানি তেলের অবৈধ মজুদের দায়ে এখন পর্যন্ত কোন প্রতিষ্ঠানকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে জরিমানা করা হয়নি।”


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









