চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় ফুয়েল কার্ড সংগ্রহ করতে এসে বখতিয়ার রহমান (৫৫) স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। মঙ্গলবার (৩১মার্চ ) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে আলমডাঙ্গা উপজেলা মাঠে ফুয়েল কার্ড নিতে এসে তিনি মারা যান। বখতিয়ার রহমান ওই উপজেলার ভেদমাড়ি গ্রামের হাজি রফিউদ্দিন মোল্লার ছেলে। মৃত ওই ব্যক্তি ফুয়েল কার্ড নেয়ার সময়ে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাকে উদ্ধার করে আলমডাঙ্গা ফাতেম ক্লিনিকে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মৃত বখতিয়ার পেশায় একজন এনজিও কর্মি।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকাল থেকেই ফুয়েল কার্ড নেওয়ার জন্য উপজেলার মাঠে মানুষের ভিড় ছিল। সেই ভিড়ের মধ্যেই হঠাৎ অসুস্থ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন বখতিয়ার। উপস্থিত লোকজন দ্রুত তাকে সহায়তার চেষ্টা করলেও শেষ পর্যন্ত আর বাঁচানো সম্ভব হয়নি তাকে। এ মর্মান্তিক ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। ভেদামারি গ্রামে চলছে কান্নার রোল, স্বজনদের আহাজারিতে পরিবেশ হয়ে উঠেছে ভারী।
স্থানীয়রা জানান, গতকাল থেকে ফুয়েল কার্ড বিতরণ শুরু হলে আজ শেষদিন হিসাবে সকালে ফুয়েল কার্ড নিতে এসেছিলেন তিনি। কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাস সেই পথেই নিভে গেল তার জীবনের আলোর প্রদীপ।
নিহতের চাচাতো ভাই আবুল হোসেন বলেন, ‘সকালে ফুয়েল কার্ডের আলমডাঙ্গা উপজেলা চত্বরে লাইন দাঁড়ায়। প্রচন্ড ভীড়ে বখতিয়ার স্ট্রোক করে অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরবর্তীতে একটা স্থানীয় বেসরকারি ক্লিনিকে নিলে জানা যায় তিনি মারা গেছেন।’
এ বিষয়ে আলমডাঙ্গাউপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পান্না আক্তার বলেন, ‘মৃত ব্যক্তি বখতিয়ার পূর্ব থেকেই অসুস্থ ছিলেন। উপজেলা মাঠে তীব্র গরমে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে দ্রুত ক্লিনিকে নেওয়া হয়। সেখানে স্ট্রোক করে তার মৃত্যু হয় বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।’
আলমডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বানী ইসরাইল ঘটনার সতত্যা স্বীকার করেছেন। তার মরদেহ গ্রামের বাড়িতে নেয়া হয়েছে।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









