জ্বালানি তেল সংগ্রহ করতে গিয়ে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন চালকরা। কোথাও কোথাও সৃষ্টি হয়েছে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি। এ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে মাঠে নেমেছে পার্বতীপুর উপজেলা প্রশাসন।
অভিযানে বিভিন্ন তেল পাম্পে বৈধ কাগজধারীদের জ্বালানি তেল প্রাপ্তি নির্বিঘ্ন করতে, লাইসেন্সবিহীন মোটরসাইকেলের বিরুদ্ধে সড়ক পরিবহন আইনে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে সর্বমোট ১৮টি মামলায় ৯ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়াও যাচাই করা হয়েছে উপজেলার বিভিন্ন তেল পাম্পের স্টক রেজিস্টার। খোলা বাজারে তেল বিক্রয় করতে নিষেধ করা হয়েছে। পাম্পে তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক করা হচ্ছে এবং সিরিয়াল অনুযায়ী মোটরসাইকেল, অ্যাম্বুলেন্স ও কৃষকদের তেল বিক্রির নির্দেশনা দিয়েছেন ইউএনও।
বুধবার (১ এপ্রিল) উপজেলার বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে প্রকৃত অর্থে যারা তেলের প্রত্যাশী এবং শৃঙ্খলা ফেরাতে অভিযান পরিচালনা করেন, তারা হলেন পার্বতীপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ভারপ্রাপ্ত মো: মাহমুদ হুসাইন রাজু। অভিযান চলাকালে যানবাহনের বৈধ কাগজপত্র ও চালকের হেলমেট যাচাই করে তেল সরবরাহ করা হয়। সেই সাথে জনসাধারণের ভোগান্তি কমাতে অনিয়মতান্ত্রিকভাবে যেন কাউকে তেল না দেওয়া হয়, সে বিষয়ে পাম্প মালিকদের নির্দেশনা প্রদান করেন তিনি।
মোসলেম উদ্দিন, জিল্লুর রহমান ও জালাল উদ্দীন সহ একাধিক বাইকার বলেন, বৈধ কাগজপত্র প্রদর্শনের মাধ্যমে তেল নিতে পারায় অনেক চালক স্বস্তি প্রকাশ করেছেন। এতে পাম্প এলাকায় শৃঙ্খলা ফিরে আসে এবং অনিয়ম অনেকাংশে কমে যায়।
মোটরসাইকেল চালক মোশাররফ হোসেন জানান, সারাদিন দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও তেল পেতে সমস্যা হচ্ছিল। তবে প্রশাসনের কাগজপত্র যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে তেল বিতরণে অনেকের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে।
পার্বতীপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ভারপ্রাপ্ত মো: মাহমুদ হুসাইন রাজু বলেন, বৈধ কাগজপত্র যাচাই করেই তেল নিতে হবে। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ছাড়া কোনোভাবেই জ্বালানি তেল দেওয়া হবে না। পাশাপাশি কেউ যেন অবৈধভাবে তেল মজুদ করতে না পারে, সে বিষয়ে প্রশাসন মাঠে তৎপর রয়েছে।
জনভোগান্তি কমাতে এবং সুষ্ঠুভাবে জ্বালানি বিতরণ নিশ্চিত করতে উপজেলা প্রশাসনের এ ধরনের অভিযান আগামীকালও অব্যাহত থাকবে।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









