পাবনার ঈশ্বরদীতে উপজেলা ছাত্রদলের প্রস্তাবিত কমিটির সদস্য সচিব ও উপজেলা জিয়া সাইবার ফোর্সের অন্যতম নেতা ইমরান হোসেন সোহাগকে গুলি ও কুপিয়ে হত্যার প্রতিবাদে আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও আওয়ামী নেতাকর্মীদের বাড়ি থেকে পুলিশ পাহারা বন্ধের দাবিতে থানা ঘেরাও কর্মসূচি পালন করেছে ঈশ্বরদী উপজেলা ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।
শনিবার (৪ এপ্রিল) সকালে ঈশ্বরদী থানা ফটকে এ কর্মসূচি পালন করেন তারা।
আন্দোলনকারীরা থানা ফটক অবরোধ করে সোহাগের হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবিতে স্লোগানে উত্তাল করে তোলেন থানা এলাকা। এ সময় থানার ফটক বন্ধ করে আন্দোলন করায় থানার স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যহত হয়।
পরে আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে সোহাগের হত্যার সাথে জড়িত আসামিদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থার আশ্বস্থ করার প্রেক্ষিতে আন্দোলন প্রত্যাহার করে থানা ফটক ছেড়ে দেয় আন্দোলনকারীরা।
এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ঈশ্বরদী পৌর ছাত্রদল নেতা মুস্তাফিজুর রহমান বিটু, ঈশ্বরদী কলেজ শাখা ছাত্রদলের প্রস্তাবিক কমিটির সভাপতি মাহমুদুল ইসলাম শাওন, ছাত্রদল নেতা রিশাদসহ ছাত্রদলের উপজেলা, পৌর, কলেজ ও ইউনিয়ন শাখার সদস্যরা।
উল্লেখ্য, গত ২ এপ্রিল (বৃহস্পতিবার) রাত সাড়ে ১০ ঘটিকায় পাবনার ঈশ্বরদীতে উপজেলা ছাত্রদল নেতা ইমরান হোসেন সোহাগ (২৮) কে গুলি ও কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।
নিহত সোহাগ উপজেলার সাঁড়া গোপালপুর মহান্নবী পাড়া এলাকার ঈমান কসাইয়ের ছেলে এবং ঈশ্বরদী উপজেলা ছাত্রদলের প্রস্তাবিত কমিটির সভাপতি ছিলেন।
ঘটনার দিন সন্ধ্যায় নেতাকর্মীদের সঙ্গে স্কুল পাড়া এলাকায় স্থানীয় রাজনৈতিক কার্যালয়ে বসেন সোহাগ। পরে রাত সাড়ে ১০ ঘটিকার দিকে মোটরসাইকেলযোগে মুখ বাধা অবস্থায় ৮/ ১০ জন স্কুল পাড়া এলাকায় আসেন এবং স্থানীয় দোকান পাট বন্ধ করতে বলেন। এ সময় সোহাগ কার্যালয় ছেড়ে বাড়ির উদ্দেশে রওনা দিলে দুর্বৃত্তরা তাকে লক্ষ করে ধাওয়া দেয়। ধানের ক্ষেত দিয়ে দৌঁড়ে পালানোর সময় সোহাগ পরে গেলে দুর্বৃত্তরা তার মাথায় অস্ত্র ঠেকিয়ে প্রথমে গুলি ও পরে কুপিয়ে তার মৃত্যু নিশ্চিত করে দ্রুত পালিয়ে যায়।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









