সিরাজগঞ্জে 'নো ফুয়েল কার্ড, নো অয়েল' নীতি অবলম্বন করায় পেট্রোল পাম্প গুলোতে শৃঙ্খল ফিরেছে। কয়েকদিন আগেও যেখানে গাড়ির লাইসেন্স ও ড্রাইভিং লাইসেন্স বিহীন মোটরসাইকেল সহ বিভিন্ন যানবাহনের পাম্প গুলোতে ব্যাপক ভীড় লক্ষ্য করা যেত। এখন সেখানে তার বিপরীত চিত্র। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জেলা সদর ও উপজেলা গুলো হতে গাড়ির লাইসেন্স, ড্রাইভিং লাইসেন্স ও অন্যান্য কাগজপত্র যাচাই-বাছাইয়ের পর দেয়া হচ্ছে কাঙ্খিত ফুয়েল কার্ড। এই কার্ড নিয়েই নির্ধারণ করা জেলার পাম্প গুলো হতে সুশৃংখলভাবে জ্বালানি তেল সংগ্রহ করছে মোটরসাইকেল সহ বিভিন্ন গাড়ির চালক/মালিকেরা। গাদাগাদি ভীড় ঠেলে তেল নিতে না হওয়ায় তাই স্বস্তি প্রকাশ করেছেন গ্রাহকেরা।
তবে চাহিদার বিপরীতে তেল আরো বাড়ানোর দাবি তুলে এই পন্থাকে স্বাগত জানিয়েছে পেট্রোল মালিক।
পেট্রোল পাম্পের কর্মচারী রফিক মিয়া জানান,আগে পাম্পে অনেক ভিড় হতো, আমরা ঠিকমত কাস্টমারদের তেল দিতে পারতাম না। তাছাড়া পাম্পে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো যেটা আমাদের নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে পড়তো। কিন্তু এখন আর সেই সমস্যায় পড়তে হয় না। ফুয়েল কার্ড এর মাধ্যমে সবাই শৃঙ্খলা বজায় দেখে তেল তুলতে আসছে।
অপরদিকে গাড়ির সব মালিকরা যে পর্যন্ত এ কার্ডের আওতায় না আসবে সে পর্যন্ত কার্ড প্রক্রিয়াকরণ কাজ অব্যাহত থাকবে বললেন সিরাজগঞ্জের জেলা প্রশাসক।
অপরদিকে সিরাজগঞ্জের বাঘাবাড়ী অয়েল ডিপো থেকে উত্তর অঞ্চলের ১৬ জেলায় ও ময়মনসিংহ বিভাগের ৪ জেলায় জ্বালানি তেল পাম্প গুলোতে তেল দেয়া অব্যাহত রয়েছে।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









