রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬, ২৮ চৈত্র ১৪৩২

The Daily Adin Logo
The Daily Adin Logo

১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে কাজ করার অভিযোগ ঠিকাদারের বিরুদ্ধে

প্রকাশিত: ১২ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:৪৪ পিএম

আপডেট: ১২ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:৪৪ পিএম

১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে কাজ করার অভিযোগ ঠিকাদারের বিরুদ্ধে

সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলায় দাড়াইন নদীর তীরবর্তী ছায়ার হাওর রক্ষা স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ প্রকল্পে আদালতের ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে জোরপূর্বক রাতের আঁধারে বাঁধ নির্মাণে কাজ করার অভিযোগ উঠেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে। অভিযোগকারী জায়গার মালিক পিকলু তালুকদার এই অভিযোগ করেন এবং রাতের আঁধারে কাজ করার একটি ভিডিও ধারন করে স্থানীয় সাংবাদিকদের কাছে দেন। তবে শাল্লা পানি উন্নয়ন বোর্ড রাতের আঁধারে বাঁধ নির্মাণের কাজ করার বিষয়টি অস্বীকার করলেও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান বাঁধ নির্মাণের কাজ করার বিষয়টি স্বীকার করেছেন।

জমির মালিক ও অভিযোগকারী পিকলু তালুকদার বলেন, আমার অভিযোগের প্রেক্ষিতে সুনামগঞ্জ অতিরিক্ত ম্যাজিস্ট্রেট আদালত স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ প্রকল্পে আমার উল্লেখিত রেকর্ডিয় জমির উপর ১৪৪ ধারা জারি করেছেন। থানা প্রশাসন থেকে আমাদের উভয় পক্ষকে উক্ত জায়গায় কোনো প্রকার কাজ না করতে এবং শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে নোটিশ প্রদান করেন। কিন্তু পরেরদিন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের লোক আফজাল মিয়া জোরপূর্বক আমাকে ভয়ভীতি দেখিয়ে রাতের আঁধারে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। এর প্রমাণ হিসেবে আমার কাছে একটি ভিডিও রেকর্ড রয়েছে। সেইসাথে শাল্লা থানার তদন্তকারী কর্মকর্তা জাকির হোসেনকে অবহিত করলে তিনি বিষয়টি দেখবেন বলে জানান।

শাল্লা থানার সহকারি উপপরিদর্শক (এএসআই) জাকির হোসেন জানান, বাদী বিষয়টি জানানোর পর উভয়পক্ষকে সংশ্লিষ্ট জায়গায় শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে বলা হয়েছে এবং ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানও কোনো প্রকার কাজ না করার আশ্বাস দিয়েছেন।

ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের উপ-সহকারী প্রকৌশলী আফজাল মিয়া জানান, উক্ত জায়গায় আমাদের ব্লক বসানো ছিল ও কিছু মালামাল থাকায় এগুলো সরানোর জন্য রাতেই কাজ করেছি। যেখানে আদালত ১৪৪ ধারা জারি করেছেন সেখানে আদালতে মিমাংসা না হওয়া পর্যন্ত ঐ জায়গায় কোনো পক্ষই যাওয়ার বিধান নেই তাহলে আপনারা কেন রাতে কাজ করলেন জানতে চাইলে তিনি প্রতিবেদককে জানান, আমাদের বাঁধা দেওয়ার পর স্থায়ী বাঁধে কোনো কাজ করি নাই। দিনের বেলা আমাদের লেবাররা প্রডাকশনের কাজ করেছিল এবং রাতে তাদের ওভারটাইম দিয়ে ঐ জায়গায় রক্ষিত মালামালগুলো সরিয়ে নেই। এবিষয়ে কিছু না লিখতে সরাসরি দেখা করে কথা বলার প্রস্তাব দেন।

এব্যাপারে শাল্লা পানি উন্নয়ন বোর্ডের সেকশন কর্মকর্তা  ওবায়দুল হক বলেন, জমির মালিক আপত্তি দেওয়ার পর বাঁধে কোনো প্রকার কাজ করা হয়নি। আদালতের নিষেধাজ্ঞা আসার পর রাতের আঁধারে কোনো কাজ হয়নি প্রয়োজনে আমি আপনাকে নিয়ে সরজমিনে বাঁধে গিয়ে দেখাব।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পিয়াস চন্দ্র দাস বলেন, যেখানে মাননীয় আদালত ১৪৪ ধারা জারি করেছেন সেখানে কেউ কাজ করতে পারবেনা এবং কাজ করার কোনো সুযোগ নেই।

এবিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ড সুনামগঞ্জ (পওর-২) নির্বাহী প্রকৌশলী এমদাদুল হক জানান, আদালতের আদেশ শুনে ঠিকাদারকে কাজ বন্ধ রাখতে বলেছি। আদালতের অনুমতি ব্যতীত সংশ্লিষ্ট জায়গায় ব্লক বা মালামাল সরানোর কাজও করা যাবেনা। আমি তাদেরকে বলে দিতেছি।

বিপ্লব/সুনামগঞ্জ/কাওছার আল হাবীব

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: মো. সাইদুল ইসলাম সাজু
নির্বাহী সম্পাদক: খন্দকার মোজাম্মেল হক

শরীয়তপুর প্রিন্টিং প্রেস ২৮/বি, টয়েনলি সার্কুলার রোড, মতিঝিল-১০০০, ঢাকা থেকে মুদ্রিত

যোগাযোগ করুন

টাওয়ার-এ (২য় তলা), হাউস-১৩, রোড-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩।

০২-২২৬৬০৩৩৫২

০১৮৯৭-৬৬৪৬৫৬

ইমেইল : dailyadinbd@gmail.com

আমাদের সোশ্যাল মিডিয়া

facebookyoutubetiktok

© স্বত্ব ২০২৬, দৈনিক এদিন

Design & Developed byBongosoft Ltd.