কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলা ফিলিপ নগরে দরবারে হামলা, ভাংচুর, অগ্নিসংযোগ, লুটপাট ও দরবার প্রধান আব্দুর রহমান ওরফে শামিমকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
সোমবার (১৩ এপ্রিল) দিবাগত রাতে নিহতের ভাই ফজলুর রহমান বাদী হয়ে দৌলতপুর থানায় এ মামলাটি দায়ের করেন। এ সময় নিহত শামীম রেজার আরও দুই ভাই উপস্থিত ছিলেন।
মামলায় প্রধান আসামি করা হয়েছে জেলা ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি খাজা আহম্মেদকে। এজাহারভুক্ত অন্য আসামিরা হলেন- খেলাফত মজলিসের দৌলতপুর উপজেলা সভাপতি আসাদুজ্জামান আসাদ, স্থানীয় জামায়াত কর্মী রাজিব দফাদার মিস্ত্রি ও মাদ্রাসার শিক্ষক শিহাব। এছাড়াও অজ্ঞাত আরও ১৮০ থেকে ২০০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
মামলার বাদী ফজলুর রহমান বলেন, “পারিবারিকভাবে প্রথমে মামলা না করার সিদ্ধান্ত নেয়া হলেও নৃশংস এই ঘটনার ন্যায় বিচারের স্বার্থে সোমবার রাতে মামলা দায়ের করেছি।”
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান বলেন, “হামলার দিনের বিভিন্ন ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনা করে এখন পর্যন্ত ২২ থেকে ২৩ জনকে শনাক্ত করা হয়েছে। তবে মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) দুপুর পর্যন্ত এ ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। পুলিশ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের গ্রেপ্তারে শৃঙ্খলা বাহিনী একাধিক টিম কাজ করছে।”
এলাকায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে স্থানীয় প্রশাসন কঠোর নজরদারি বজায় রেখেছে। ঘটনার পর থেকে এখন পর্যন্ত এলাকায় বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।
ধর্ম অবমাননার অভিযোগে গত শনিবার (১১ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার ফিলিপনগর এলাকায় দরবারে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ, লুটপাট ও দরবার প্রধান আব্দুর রহমান শামিমকে পিটিয়ে হত্যা করে উত্তেজিত জনতা।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









