সুনামগঞ্জের ৪ উপজেলায় বজ্রপাতে ৫ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এতে আরও কয়েকজন আহত হয়েছে। নিহতদের মধ্যে তাহিরপুর উপজেলায় ১ জন, ধর্মপাশা উপজেলায় ২ জন, জামালগঞ্জ উপজেলায় ১ জন ও দিরাই উপজেলায় ১ জন।
শনিবার (১৮ এপ্রিল) দুপুরে পৃথক পৃথক স্থানে বজ্রপাতে তারা নিহত হয়েছেন।
ধর্মপাশা উপজেলায় হাওরে বোরো ধান কাটতে গিয়ে বজ্রপাতে হবিবুর রহমান (২২) ও রহমত উল্লাহ (১৩) নামে দুই জনের মৃত্যু হয়েছে। হবিবুর উপজেলার পাইকুরাটি ইউনিয়নের বড়ইহাটি গ্রামের ফজলু রহমানের ছেলে এবং বাদশাগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের ২য় বর্ষের শিক্ষার্থী এবং রহমত উল্লাহ জয়শ্রী ইউনিয়নের সরস্বতিপুর গ্রামের জয়নাল হকের ছেলে।
অপর দিকে দুপুরে জয়শ্রী ইউনিয়নের সরস্বতিপুর ইসলামপুর গ্রামেও বজ্রপাতের ঘটনা ঘটে। এতে ওই গ্রামের জয়নাল হক (৩৫), তার ছেলে রহমত উল্লাহ এবং লাল সাধুর স্ত্রী শিখা মনি (২৫) গুরুত্বর আহত হয়। পরে তাদেরকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে রহমত উল্লাহকে চিকিৎসক মৃত বলে ঘোষণা করেন এবং জয়নাল ও শিখা মনিকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়।
দিরাই উপজেলায় বজ্রপাতে লিটন মিয়া (৩৮) নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। তিনি উপজেলার পেরুয়া আশনাবাজ গ্রামের চান্দু মিয়ার ছেলে। কালিয়াগোটার (আতরার) হাওরের একটি বিলের পাশে ধান কাটার সময় আকস্মিক বজ্রপাতে তিনি গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত দিরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
তাহিরপুর উপজেলায় ১ জন নিহত ও আরেকজন গুরুতর আহত হয়েছেন। নিহতের নাম আবুল কালাম ওরফে কালা মিয়া (২৮)। তিনি সদর ইউনিয়নের গাজীপুর গ্রামের আবু বকরের ছেলে। জামলাবাজ গ্রামের সামনে একটি হাসেঁর খামারে এই ঘটনা ঘটে। দুইজনেই এই খামারে কাজে ছিলেন।
জামালগঞ্জ উপজেলার সদর ইউনিয়নের চাঁনপুর (গজারিয়া হাটি) গ্রামে বজ্রপাতে নুরুজ্জামান নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পাগনার হাওরে কাজ করার সময় বজ্রপাতে নুরুজ্জামান ও তার চাচাতো ভাই গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে দ্রুত জামালগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক নুরুজ্জামানকে মৃত ঘোষণা করেন।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









