গোপালগঞ্জ জেলা টুঙ্গিপাড়া উপজেলার অন্তর্গত কুশলি ইউনিয়নের চরকুশলি গ্রামে ৭৪ নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সহস্রাধিক শিক্ষার্থী রয়েছে। কিন্তু শিক্ষার্থীদের অবসর সময়ে মন-মেজাজ ভালো রাখতে প্রয়োজন খেলাধুলা। অথচ, চরকুশলি গ্রামে নেই স্থায়ী কোনো খেলার মাঠ। গ্রীষ্মে ফসল তোলার পর ফাঁকা মাঠে দুই-তিন মাসের মতো খেলার সুযোগ রয়েছে, যা স্থায়ী নয়।
মাঠের অভাবে এ বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা পরিচালনা করতে পারে না সহশিক্ষা কার্যক্রম। জাতীয় সঙ্গীত-শপথ বাক্য পাঠ করানো হলেও তেমনভাবে খেলাধুলা ও শরীর চর্চা হয়না এ বিদ্যালয়টিতে। এতে করে অন্যান্য বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের চেয়ে সহশিক্ষা কার্যক্রমে পিছিয়ে পড়ছে চরকুশলি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।
খেলাধুলার জন্য স্থায়ী মাঠ না থাকায় অবসর সময়ের বিনোদন হিসেবে শিক্ষার্থীরা ঝুঁকছে নেশাদ্রব্য ও এন্ড্রয়েড গেমে। তরুণদের জন্য এসব মারাত্মক ক্ষতিকর। অন্যদিকে এলাকায় তৈরি হচ্ছে কিশোর গ্যাং। সেই সঙ্গে হারিয়ে যাচ্ছে শিশু-কিশোরদের দুরন্ত শৈশবের উদ্যম। বর্তমান তথ্যপ্রযুক্তির যুগে ডিজিটাল ডিভাইসমুখী হয়ে পড়ছে আমাদের শিশু-কিশোর ও তরুণ প্রজন্ম।
অন্যদিকে একের পর এক মাঠ নানাভাবে দখল হয়ে যাচ্ছে। ফলে শিশু-কিশোরদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশ হচ্ছে বাধাগ্রস্ত।
যার ফলে অভিভাবকরা আশাহত হয়ে পড়েছে তাদের সন্তানের ভবিষ্যৎ নিয়ে। চরকুশলি গ্রামের সর্বস্তরের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে স্থায়ী খেলার মাঠের জন্য দাবি জানিয়ে আসছে। তাই, সংশ্লিষ্টদের এ ব্যাপারে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









