পটুয়াখালীর বাউফল পরীক্ষা কেন্দ্রে কুড়ালসহ সিফাত (১৫) নামে এক শিক্ষার্থীকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় পাঁচ দাখিল পরীক্ষার্থীসহ মোট ছয়জনকে থানায় নেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) উপজেলার নাজিরপুর ধানদী কামিল মাদ্রাসায় এ ঘটনা ঘটে ।
আটক সিফাত উপজেলার বড় ডালিমা গ্রামের জহিরুল ইসলামের ছেলে এবং ছোট ডালিমা আব্দুস সালাম মৃধা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী।
আটক দাখিল পরীক্ষার্থীরা হলেন, মো. মাসুম মৃধা, মো. সিহাব হোসেন (রামনগর ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসা) এবং মো. মিয়াদ হোসেন, মো. নয়ন হোসেন ও মো. হৃদয় হোসেন (বড়ডালিমা দাখিল মাদ্রাসা)।
কেন্দ্র সূত্রে জানা যায়, গত ২৮ এপ্রিল আরবি দ্বিতীয় পত্র পরীক্ষার সময় খাতা দেখাকে কেন্দ্র করে দুই মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়, যা পরে মারামারিতে রূপ নেয়। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) বাংলা প্রথম পত্র পরীক্ষার আগে শিক্ষকদের উদ্যোগে বিষয়টি মীমাংসা করা হলেও পরীক্ষা শেষে আবারও সংঘর্ষের আশঙ্কা দেখা দেয়।
এ সময় কেন্দ্র ত্যাগের পথে দায়িত্বে থাকা পুলিশের সহায়তায় সিফাতকে তার ব্যাগে থাকা একটি কুড়ালসহ আটক করা হয়। তবে তার সঙ্গে থাকা আরও কয়েকজন দেশীয় অস্ত্রসহ পালিয়ে যায় বলে জানা গেছে।
কেন্দ্রের সুপার মাওলানা মু. নুরুল আমিন ও দায়িত্বপ্রাপ্ত মাওলানা মু. আ. রব জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সিফাত স্বীকার করেছে, বড়ডালিমা দাখিল মাদ্রাসার পরীক্ষার্থী মিয়াদের ডাকে সে কুড়াল নিয়ে আসে। সম্ভাব্য সংঘর্ষের প্রস্তুতি হিসেবে এ আয়োজন করা হয়েছিল।
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, “আটকরা সবাই অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় শিশু আইনের আওতায় তাদের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। বর্তমানে তাদের থানায় রাখা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে জানানো হয়েছে।”


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









