পিরোজপুরের নেছারাবাদে মোটরসাইকেল চালক মিলন বাহাদুর হত্যা ও মরদেহ গুমের ঘটনায় প্রায় ৮ বছর পর রায় দিয়েছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) দুপুরে পিরোজপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. মজিবুর রহমান এ রায় ঘোষণা করেন।
সাজাপ্রাপ্তরা হলেন, মামলায় প্রধান আসামি উপজেলার সোহাগদল গ্রামের মো. সিদ্দিকুর রহমানের ছেলে মো. তাজিমকে (২৮) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয় এবং তার স্ত্রী মোসা. রেহানা বেগমকে (৫০) ৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ৩ মাসের কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘোষণার সময় রেহানা বেগম আদালতে উপস্থিত থাকলেও তাজিম পলাতক রয়েছেন।
মামলার বিবরণে জানা যায়, মোটরসাইকেল কেনাবেচা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে ২০১৮ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি বিকেলে উপজেলার বয়ারহুলা মোটরসাইকেল স্ট্যান্ড থেকে মিলন বাহাদুরকে ভাড়া নেয় তাজিম ও তার সহযোগী। এরপর মিলন বাড়ি না ফেরায় তার পরিবার উদ্বিগ্ন হয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করে এবং তার মোবাইল ফোনও বন্ধ পাওয়া যায়।
পরে ১২ ফেব্রুয়ারি নিহতের বাবা শাহাদাত বাহাদুর নেছারাবাদ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। এর দুই দিন পর, ১৪ ফেব্রুয়ারি তাজিমের বাড়ির ল্যাট্রিনের সেফটিক ট্যাংক থেকে মিলনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তদন্তে উঠে আসে, হত্যার পর তাজিম তার মায়ের সহযোগিতায় মরদেহ গুম করে।
এ ঘটনায় নিহতের বাবা শাহাদাত বাহাদুর পাঁচজনকে আসামি করে নেছারাবাদ থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে চারজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। তবে রায় ঘোষণার সময় বিচারক অপর দুই আসামিকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেন।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









