সারা দেশের মত গোপালগঞ্জেও নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৬’-এর শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে।
শনিবার (২ মে) বিকেলে গোপালগঞ্জ জেলা স্টেডিয়ামে বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন গোপালগঞ্জের তিন আসনের সংসদ সদস্য সেলিমুজ্জামান সেলিম, ডা. কে. এম. বাবর ও এস. এম. জিলানী।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) এস এম তারেক সুলতানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক শরীফ রফিকুউজ্জামান ও জেলা বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে এমপি ডা. কে. এম বাবর বলেন, ‘‘বিশ্বের বিভিন্ন দেশ খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে নিয়েছে। তারা খেলাধুলার মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা উপার্জন করেছেন। আমাদের নেতা তারেক রহমানও খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে গ্রহণ করার জন্য নানা উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। ভবিষতে আমাদের ছেলে মেয়েরাও খেলাধুলা পেশা হিসেবে নিয়ে সম্মানজনক ইনকাম করবেন। তাই অভিভাবকদের অনুরোধ করবো আপনার সন্তানকে খেলাধুলায় উৎসাহিত করুন। তাহলে আপনার সন্তান সুস্থ সমাজ গঠনে ভূমিকা রাখবে।’’
এমপি এস.এম জিলানী বলেন, ‘‘দেশের যুব সমাজ আজ মাদক আর মোবাইলের নেশায় আসক্ত। খেলাধুলার মাধ্যমেই যুব সমাজকে এই আসক্তি থেকে ফিরিয়ে আনা সম্ভব। তাই আমি প্রতিটি ইউনিয়নের দুটি করে খেলার মাঠ তৈরির উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। সুস্থ জাতি গঠনে সুস্থ ও সবল মানুষের কোন বিকল্প নাই। তাই পরিবারকে সজাগ থাকতে হবে যেন তাদের সন্তানরা খারাপ নেশায় আসক্ত না হয়। তাদেরকে খেলাধুলার প্রতি উৎসাহ প্রদান করতে হবে।’’
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি এমপি সেলিমুজ্জামান মোল্লা বলেন, ‘‘সুস্থ-সবল ও মেধাবী সমাজ গড়ার জন্য খেলাধুলার কোন বিকল্প নাই। খেলাধুলা কিন্তু নিছক কেবল বিনোদন বা শরীরচর্চা নয়, খেলাধুলা একটি সুন্দর পেশা। নির্বাচনের আগে তারেক রহমান ঘোষণা দিয়েছিলেন, বিএনপি সরকার গঠন করলে খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে বিবেচনা করা হবে। সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের জন্য তিনি (তারেক রহমান) সারা দেশে এক যোগে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৬ উদ্বোধন করেছেন। একজন ভাল ও মেধাবী খেলোয়াড় তার খেলাকে পেশা হিসেবে নিতে পারেন তার সব ব্যবস্থা করা হবে।’’
তিনি আরও বলেন, ‘‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্বাচনের আগে যে সব প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন তা বাস্তবায়ন করেছেন। মায়েদের ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, দশ হাজার টাকা কৃষি ঋণ সুদাসলে মওকুফ ও সারা দেশে খাল খননের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের পথে। ১৯৮০ সালে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এই নতুন কুঁড়ি সৃষ্টি করেছিলেন। আমাদের নেতা তারেক রহমান চিন্তা করেছেন ১২ থেকে ১৪ বছর বছরের সকল মেধাবী খেলোয়াড়দের বাছাইয়ের মাধ্যমে দেশের সম্পদ হিসেবে ব্যবহারের উদ্যোগ নিয়েছেন।’’
গোপালগঞ্জ জেলায় ১২ থেকে ১৪ বছর বয়সি কিশোর-কিশোরীরা ফুটবল, ক্রিকেট, কাবাডি, অ্যাথলেটিক্স, দাবা, ব্যাডমিন্টন, সাঁতার, মার্শাল আর্টসহ ৮টি ইভেন্টে ৬টি দল অংশ করবে।
আজ প্রথম দিনে বালক ও বালিকা বিভাগের উভয় খেলায় মুকসুদপুর উপজেলা দল ১-০ গোলে কাশিয়ানী উপজেলা দলকে পরাজিত করে।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









