কুড়িগ্রাম জেলা থেকে হতে নদী দ্বারা বিচ্ছিন্ন রৌমারী উপজেলা। যেখানে হাত বাড়ালেই মিলছে ফেনসিডিল, ভারতীয় মদ, গাঁজা, ইয়াবা,হিরোইনসহ বিভিন্ন মাদকদ্রব্য।
সম্প্রতি প্রশাসনের কঠোর অবস্থানের ফলে শুরু হয়েছে দৃশ্যমান অভিযান। এরই ধারাবাহিকতায় পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার হয়েছেন এক মাদক ব্যবসায়ী।
স্থানীয়দের দাবি, এই সীমান্তপথে অর্ধশতাধিক নিরাপদ রুট দিয়ে প্রতিনিয়ত ভারত থেকে ফেনসিডিল, অফিসার চয়েস, রয়েল, মেজিক মোমেনসহ বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মদ, গাঁজা ও ইয়াবা ট্যাবলেট বাংলাদেশে প্রবেশ করছে। ফলে এলাকায় চুরি, ছিনতাই ও সামাজিক অস্থিরতা বেড়েই চলেছে বলে অভিযোগ সচেতন মহলের।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর বক্তব্যের পর মাদক ও জুয়াবিরোধী কঠোর অবস্থানের ঘোষণার পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নড়েচড়ে বসেছে। রৌমারীতেও শুরু হয়েছে ধারাবাহিক অভিযান। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দুপুর ২ঘটিকার সময় রৌমারী থানা পুলিশের একটি দল মির্জাপাড়া গ্রামে অভিযান চালায়। সাব-ইন্সপেক্টর মো. শফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের একটি দল এই অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযানে মিজাল হোসেনের পুত্র ওবায়দুল হক (৩২) এর শোবার ঘর থেকে ১৭বোতল
ভারতীয় অফিসার চয়েস ৫০০ এমএল ৮ বোতল, রয়েল ৫০০ এমএল ৮ বোতল এবং মেজিক মোমেন ১ বোতল উদ্ধার করা হয়। তাকে আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়। পরে তার তথ্য মতে মাটির নিচ থেকে আরো ৫বোতল উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় রৌমারী থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, বিচ্ছিন্নভাবে অভিযান চালালে মাদকের বিস্তার পুরোপুরি বন্ধ হবে না। সীমান্তে নজরদারি জোরদার, চিহ্নিত রুট বন্ধ করতে হবে।
রৌমারীর সচেতন নাগরিকদের দাবি, নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকলে এবং মাদক সিন্ডিকেটের মূলহোতাদের আইনের আওতায় আনা গেলে সীমান্ত উপজেলা রৌমারী আবারও শান্ত পরিবেশ ফিরে পেতে পারে।
মাদকমুক্ত রৌমারী গড়তে প্রশাসনের পাশাপাশি সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









