গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলার তুমলিয়া মিশন সড়কে আংশিক ভেঙে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় ঝুলে থাকা পল্লী বিদ্যুতের খুঁটিটি অবশেষে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।
সোমবার (১১ মে) দুপুরের মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ কংক্রিটের খুঁটিটি অপসারণ করে নতুন খুঁটি স্থাপন করা হয়। একই সঙ্গে পাশের একটি পুরোনো কাঠের খুঁটিও পরিবর্তন করেছে পল্লী বিদ্যুতের ঠিকাদাররা।
এর আগে খুঁটিটি নিয়ে স্থানীয়দের উদ্বেগের কথা তুলে ধরে রবিবার (১০ মে) দৈনিক এদিন’র অনলাইনে ‘কালীগঞ্জে ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যুতের খুঁটি, আতঙ্কে পথচারীরা’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদনটি প্রকাশের পরপরই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত পদক্ষেপ নেয়।
কালীগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিসের উপ-মহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) মো. আক্তার হোসেন বলেন, “বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গেই সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারকে অবহিত করা হয়। তাদেরকে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়। সোমবার সকাল থেকে কাজ শুরু করে দুপুরের মধ্যেই ঝুঁকিপূর্ণ খুঁটিটি অপসারণ এবং নতুন খুঁটি স্থাপন করা হয়েছে। পাশাপাশি পাশের একটি কাঠের খুঁটিও প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।”
স্থানীয় সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরে খুঁটিটি আংশিক ভেঙে বিপজ্জনক অবস্থায় ঝুলে ছিল। প্রতিদিন ওই সড়ক দিয়ে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, পথচারী এবং বিভিন্ন যানবাহন চলাচল করায় এলাকাবাসী আতঙ্কের মধ্যে ছিলেন। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুম ও ঝড়ো আবহাওয়ায় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা আরও বেড়ে গিয়েছিল।
তুমলিয়া এলাকার কয়েকজন সচেতন নাগরিক জানান, সম্প্রতি উপজেলার শিমুলিয়া এলাকায় বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙে একজন শিক্ষিকার মৃত্যুর ঘটনার পর তারা আরও উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছিলেন। তাই দ্রুত সময়ের মধ্যে খুঁটিটি প্রতিস্থাপন করায় তারা স্বস্তি প্রকাশ করেছেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সংবাদ প্রকাশের পর এত দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ায় তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও গণমাধ্যমের প্রতি কৃতজ্ঞ।
উল্লেখ্য, গত ৫ মে টঙ্গী-কালীগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কের শিমুলিয়া রেলগেট সংলগ্ন পিপুলিয়া এলাকায় ১৭টি বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙে পড়ে। এর মধ্যে একটি খুঁটি চলন্ত অটোরিকশার ওপর পড়ে শারমিন ফেরদৌস (৪৭) নামে এক শিক্ষিকার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় আরও দুইজন আহত হন।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









